Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

ট্রাম্প কারও বন্ধু হতে পারেন? প্রশ্ন আমেরিকাতেই

টানা হুঁশিয়ারির পর বন্ধুত্বের বার্তা। এমন মনোভাবকে মর্যাদা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মোদীও। কিন্তু এরপরও ভারত-মার্কিন সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আমেরিকাতেই।
মোদীর নেতৃত্বে ভারত আমেরিকার অনুগামী হয়েই চলেছে। কিন্তু তারপরও বাণিজ্য আলোচনার মাঝে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। শুক্রবারও আমেরিকার বাণিজ্য সচিব বলেছিলেন যে এক বা দু’মাসের মধ্যে মাথা নোয়াবে ভারত। আর ট্রাম্প নিজে বলেছিলেন যে রাশিয়া এবং ভারত চীনের অন্ধকার গাড্ডায় পড়েছে।
শনিবার ট্রাম্প বলেন যে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে আমেরিকার। দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই। ট্রাম্পের মন্তব্য, ‘সর্বদা নরেন্দ্র মোদীর বন্ধু থাকব। তিনি একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী। তবে এখন তিনি যা করছেন ভাল লাগছে না। তবে ভারত এবং আমেরিকার মদ্যে বিশেষ সম্পর্ক বজায় থাকবে।’
দিল্লিতে মোদী সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোভাব অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দু’দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক দিক থেকে দেখার মনোভাবকে মর্যাদা দিচ্ছি।’’ মোদী বলেন, ‘‘ভারত এবং আমেরিকার সুশলহত আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া রয়েছে।’’
এদিকে ওয়াশিংটনে আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের প্রাক্তন আধিকারিক ইভেন ফেইজেনবম সেদেশের সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, আমেরিকাকে ফের ভরসা করার সামান্যই কারণ রয়েছে ভারতের। কেবল শুল্ক হার চাপানো নয়, রাশিয়ার থেকে তেল আমদানির জন্য নিষেধাজ্ঞার মতো কড়া পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সুসম্পর্ক রয়েছে এমন সব দেশের সঙ্গে একই আচরণ করে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
আমেরিকা প্রতিবেশি মেক্সিকো, কানাডা থেকে চীন, জাপান বা ব্রাজিলের সঙ্গে একরোখা মনোভাব নিয়ে লড়তে নেমেছে। বাদ যাচ্ছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নিষিদদ্ধ মাদক পাচার চক্র বন্ধের নামে ভেনেজুয়েলার সমুদ্রে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে আমেরিকা। এমনকি বরাবরের বন্ধু দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে।
এর মধ্যে আমেরিকার ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকা একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে রাষ্ট্রপতির আসনে প্রথম দফায় ট্রাম্প বিশেষ বাহিনী গোপনে পাঠিয়েছিলেন উত্তর কোরিয়ায়। সেদেশের প্রধান কিম জঙ উনের সব যোগাযোগ আড়ি পাতার ব্যবস্থা করেছিল সেই গোপন বাহিনী ‘সিল টিম সিক্স’। কিমের সঙ্গে বৈঠকের আগে চলেছিল এই তৎপরতা। কিন্তু অভিযান বাতিল হয়ে যায় সমুদ্রে এই বাহিনীর জলযানের দাক্কায় এক মৎস্যজীবীর মৃত্যুতে। দ্রুত মৎস্যজীবীরা জড়ো হতে থাকেন।

@freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating