Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

ফিদেল কাস্ত্রো জন্ম-শতবার্ষিকী – (জন্ম ১৩ আগস্ট, ১৯২৬– ১৩ আগস্ট, ২০২৫)

ফিদেল কাস্ত্রো- কিউবার রাজনৈতিক নেতা

ফিদেল কাস্ত্রো (জন্ম ১৩ আগস্ট, ১৯২৬, কিউবার বিরানের কাছে – মৃত্যু ২৫ নভেম্বর, ২০১৬, কিউবা) ছিলেন রাজনৈতিক নেতাকিউবা (১৯৫৯-২০০৮) যিনি তার দেশকে পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করেছিলেন। কাস্ত্রো ল্যাটিন আমেরিকায় কমিউনিস্ট বিপ্লবের প্রতীক হয়ে ওঠেন। তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পদ ধরে রাখেন এবং তারপর রাষ্ট্র পরিষদ এবং মন্ত্রী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ শুরু করেন। স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে তিনি ২০০৬ সালের জুলাই মাসে অস্থায়ী ক্ষমতা হস্তান্তর করেন এবং ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

কাস্ত্রোর জন্ম দক্ষিণ-পূর্ব কিউবায়। তার বাবা, অ্যাঞ্জেল কাস্ত্রো ওয়াই আরগিজ, স্পেন থেকে আসা একজন অভিবাসী , একজন মোটামুটি সমৃদ্ধ আখ চাষী ছিলেন, যে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন মালিকানাধীন ইউনাইটেড ফ্রুট কোম্পানির সম্পত্তির আধিপত্য ছিল। তার প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাহিত থাকাকালীন, অ্যাঞ্জেল কাস্ত্রোর তার এক দাসী লিনা রুজ গঞ্জালেজের সাথে প্রেম শুরু হয়, যাকে তিনি পরে বিয়েও করেছিলেন। তাদের সাতটি সন্তান ছিল; ফিদেল তাদের একজন ছিলেন, এবং রাউল, যিনি পরে কিউবান বিষয়ক তার ভাইয়ের প্রধান সহযোগী হয়েছিলেন, তিনি ছিলেন অন্য একজন।

ফিদেল কাস্ত্রো সান্তিয়াগো দে কিউবার রোমান ক্যাথলিক বোর্ডিং স্কুল এবং তারপর হাভানার ক্যাথলিক হাই স্কুল বেলেনে পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি একজন দক্ষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রমাণিত হন। ১৯৪৩-৪৪ সালে তাকে হাভানার অসাধারণ স্কুলছাত্র ক্রীড়াবিদ হিসেবে মনোনীত করা হয় এবং তিনি ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ( উচ্চ জাম্প এবং মধ্য-দূরত্বের দৌড়ে), বেসবল, বাস্কেটবল এবং টেবিল টেনিসে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি হাভানা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন স্কুলে প্রবেশ করেন, যেখানে সংগঠিত সহিংস দলগুলি রোমান্টিক লক্ষ্য, রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের মিশ্রণকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করত। বিশ্ববিদ্যালয়ে কাস্ত্রোর প্রধান কার্যকলাপ ছিল রাজনীতি, এবং ১৯৪৭ সালে তিনি ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র আক্রমণ এবং জেনারেল রাফায়েল ট্রুজিলোকে উৎখাত করার জন্য ডোমিনিকান নির্বাসিত এবং কিউবানদের একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টায় যোগ দেন। এরপর তিনি ১৯৪৮ সালের এপ্রিলে কলম্বিয়ার বোগোটায় সংঘটিত শহুরে দাঙ্গায় অংশ নেন।

১৯৫০ সালে স্নাতক শেষ করার পর, কাস্ত্রো আইন অনুশীলন শুরু করেন এবং সংস্কারবাদী দলের সদস্য হনকিউবান পিপলস পার্টি (যাকে অর্থোডক্সোস বলা হয়)। ১৯৫২ সালের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি হাভানা জেলা থেকে প্রতিনিধি পরিষদের একটি আসনের জন্য তাদের প্রার্থী হন। তবে, সেই বছরের মার্চ মাসে, প্রাক্তন কিউবান রাষ্ট্রপতি জেনারেল।ফুলজেনসিও বাতিস্তা প্রেসের সরকারকে উৎখাত করেন। কার্লোস প্রিও সোকারাস এবং নির্বাচন বাতিল করেছেন।

                            Fidel Castro: A life in pictures

Fidel Castro was born in 1926 to a wealthy sugar planter. He turned to revolutionary politics as a young man.

After two years in jail for mounting a failed coup, he went into exile in Mexico. (Castro is standing on right of woman in white.)

Castro finally assumed power in Cuba on New Year’s Day, 1959, after ousting Fulgencio Batista.

In 1961, Castro led his troops against 1,500 Cuban exiles. The exiles were supported by the CIA, who landed in the Bay of Pigs with the purpose of ousting his government.

Perhaps Castro’s biggest test came in 1962, when US President Kennedy warned him to remove Soviet missiles from Cuba.

In the end, Soviet leader Nikita Khrushchev and Castro removed the missiles, and the threat of nuclear war was averted.

He enjoyed sports, even the US game of baseball, playing here at a teachers’ college in the Sierra Maestra in 1962.

Many liberal Cubans considered him an oppressive dictator.

Thousands fled their homeland for the US, often on dangerous makeshift rafts.

But Fidel Castro retained enough public support to become one of the world’s longest-serving leaders.

After intestinal surgery in 2006, he handed day-to-day power to his brother Raul. Then he made only rare recorded appearances, before stepping down in February 2008.

কেন ইতিহাস মনে রাখবে ফিদেল কাস্ত্রোকে?

তার বিখ্যাত দাড়ি, মুখের চুরুট, আর কালচে-সবুজ সামরিক পোশাকের জন্য সারা দুনিয়ায় ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন সবার পরিচিত মুখ।

অনেক অর্থেই ফিদেল কাস্ত্রো বিশ্ব-ইতিহাসের একটা সময়ের এক প্রতীকী চরিত্র।

বিপ্লবী আন্দোলন, স্নায়ুযুদ্ধ, পূর্ব-পশ্চিম দ্বন্দ্ব, পুঁজিবাদ আর কমিউনিজমের সংঘাত – এসব মিলে গড়ে ওঠা সেই কালপর্ব ফিদেল কাস্ত্রোর জীবনেরও গল্প।

মাত্র ৩৩ বছর বয়েসে ১৯৫৯ সালে কিউবার তখনকার শাসক বাস্তিতাকে উৎখাত করে কাস্ত্রো পাঁচ দশক ধরে ক্ষমতায় ছিলেন, পার করেছেন ১০ জন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের শাসনকাল।

মোকাবিলা করেছেন ৬শ ৩৮টি হত্যাপ্রচেষ্টা।

কিন্তু কিসের জন্যে ইতিহাস তাকে মনে রাখবে?                                              সারাজীবন তার বিশ্বাসে অবিচল ছিলেন কাস্ত্রো

বিশ্লেষকরা বলেন, তার শাসনের সময় কিউবাকে তিনি দিয়েছেন প্রথম বিশ্বের সমতুল্য শিক্ষার হার , আর এক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা – যা অনেক দেশের কাছে ঈর্ষার বস্তু। কিউবানদের গড় আয়ু এবং শিশুমৃত্যুর অতি নিম্ন হারও পশ্চিম ইউরোপের সাথে তুলনীয় – যদিও তাদের মাথাপিছু আয় উন্নত দেশগুলোর তুলনায় নগণ্য।

একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি লাতিন আমেরিকায় মার্কিন প্রভাব-আাধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন আজীবন, অনুপ্রাণিত করেছেন ভেনেজুয়েলার উগো চাভেজ, বা বলিভিয়ার ইভো মোরালেসের মতো নেতাদের ।

আরো পড়ুন : ইতিহাসের সাক্ষী – যেদিন বিজয়ী কাস্ত্রো ঢুকেছিলেন হাভানায়

কাস্ত্রো: ভক্তদের ‘চ্যাম্পিয়ন’ আর বিরোধীদের চোথে ‘নিপীড়ক’

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব কিউবান স্টাডিজের সম্পাদক ড. স্টিফেন উইলকিনসন বলেন, এটা ঠিক যে কাস্ত্রো কঠোর হাতে তার শত্রুদের দমন করেছেন।

কিন্তু এটাও ঠিক যে অন্য অনেক দেশে বিপ্লবের পর যেমন হয়েছে কিউবায় কিন্তু তেমন কোন রক্তগঙ্গা বয়ে যায় নি, স্তালিনের গুলাগের মতো কিউবায় কোন শ্রমশিবিরও ছিল না।

১৯৬১ সালে মার্কিন সমর্থিত বে অব পিগস অভিযানকে পরাজিত করতে পারাটা ছিল কাস্ত্রোর আরেকটি বিরাট অর্জন।

আফ্রিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে কাস্ত্রোর ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ

তেমনি আফ্রিকায় এ্যাংগোলার যুদ্ধে কিউবার ভূমিকা ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিয়েছিল। ১৯৮৮ সালে কাস্ত্রো নিজে এমনভাবে সামরিক পরিকল্পনা করেছিলেন – যাতে দক্ষিণ আফ্রিকা পরাজিত হয়, তারা এ্যাংগোলা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং নামিবিয়া স্বাধীন হয়।

পরে এমনকি নেলসন মান্দেলাও বলেছিলেন, তার কারামুক্তি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনের অবসানের পেছনে প্রভাব ফেলেছে ওই যুদ্ধ।

শেষ জীবনে ফিদেল যখন তার ভাই রাউলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিলেন তার পরেও বিশ্বের বহু দেশের রাজনীতিকরা তার সাথে দেখা করতে যেতেন।

চাভেজ ও মোরালেসের মত নেতাদের কাছে কাস্ত্রো ছিলেন অনুপ্রেরণা

চিলির কবি পাবলো নেরুদা বলেছিলেন, লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক নেতারা অনেক প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু পূরণ করতে পারেন খুবই সামান্য। কিন্তু কাস্ত্রো ছিলেন এর ব্যতিক্রম। তিনি আমেরিকার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, কখনো তাদের চাপে পিছু হটেন নি – এবং এই অদম্য চেতনা তার একটা বৈশিষ্ট্য ছিল।

কাস্ত্রোও তার স্বপ্নের অনেক কিই পূরণ করতে পারেন নি , অনেক ক্ষেত্রেই তাকে পেছনে ফেলে সময় এগিয়ে গেছে।

তার নীতির সাথে সবাই একমত হবেন না, কিন্তু এটা ঠিক যে তিনি তার অঙ্গীকারের প্রতি আজীবন অনড় ছিলেন।

ড. স্টিফেন উইলকিনসনের মতে, এটা রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে খুবই দুর্লভ এক গুণ – এবং এটাই হয়তো তার সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার।                                                                        

                                                              SOURCE-BBC

@freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating