Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

‘প্যালেস্তাইনের পাশে দাঁড়াও’, অস্ট্রেলিয়ার শহরে শহরে মিছিল

প্যালেস্তাইন গণহত্যার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে কয়েক হাজার মানুষ মিছিল করলেন। মৃত ও অনাহারে থাকা গাজার বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়ানোর দাবিতে তোলেন দেশের সরকারের কাছে। রবিবার মিছিলে মিছিলে দাবি ওঠে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে অস্ট্রেলিয়ার সরকারকে।  
সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন এবং দেশের অন্যান্য বেশ কয়েকটি শহরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সংগঠিত হয়। প্রতিবাদীরা ইজরায়েলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ইজরায়েলের সাথে অস্ট্রেলিয়ার অস্ত্র ব্যবসা বন্ধের দাবি জানায়।

পুলিশ অনুমান করেছে যে প্রায় ১০,০০০ মানুষ বিভিন্ন বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবাদীরা জানিয়েছেন যে শুধুমাত্র সিডনিতেই এক লক্ষ মানুষ মিছিল করেছেন। মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়ার স্টেট লাইব্রেরির বাইরে প্রতিবাদীরা জড়ো হয়। তাঁরা স্লোগান দেন “যুদ্ধবাজ ইজরায়েলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করো”।
প্রতিবাদীরা বলেন, “সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরবর্তী সভায় সমমনোভাবাপন্ন মিত্রদের সাথে অস্ট্রেলিয়া প্যালেস্তাইনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করবে। তার সঙ্গে ইজরায়েলের উপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘ অনুরোধ করবে। দেশের সরকার এই ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাকে কাজে প্রয়োগ করতে হবে।’’
অ্যাডিলেডে, প্রায় ৫,০০০ মানুষ ভিক্টোরিয়া স্কোয়ারে “নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত, প্যালেস্তাইন স্বাধীন হোক” স্লোগান দিতে সমবেত হন এবং পার্লামেন্ট ভবনের দিকে মিছিল করেন। 
প্রতিবাদীরা অনুমান করেছেন যে পার্থে ২০,০০০ জন বিক্ষোভকারী উপস্থিত ছিলেন, ক্যানবেরা, হোবার্ট এবং অন্যান্য শহরেও ছোট ছোট বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
রাষ্ট্রসঙ্ঘের খাদ্য বিষয়ক বিভাগ শুক্রবার জানিয়েছে যে গাজা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত। যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক ত্রাণের উপর বিধিনিষেধ আরোপ বন্ধ না হলে, পুরো অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে।
ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন, বা আইপিসি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে গাজার জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ ভয়াবহ ক্ষুধার মুখোমুখি। যাদের অনেকেই অপুষ্টিজনিত কারণে মারা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চলমান গণহত্যায় কমপক্ষে ৬২,২৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

@freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating