Special Intensive Revision (SIR)
1. https://sites.google.com/view Special Intensive Revision (SIR)/oldelectoralrollswb/
Voter list from 1952 to 1971
2. https://ceowestbengal.nic.in/roll_dist
2002 voter list (Electoral roll)
3. https://electoralsearch.eci.gov.in/
4. BLO name & contact numbers:
https://ceowestbengal.nic.in/Downloads/BLOList/BLO.pdf
1. ভোটারের যোগ্যতা
ভারতের সংবিধানের ৩২৬ নং অনুচ্ছেদ
# ভারতের নাগরিক
# কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স
# সাধারণত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা।
2. এসআইআর-এর প্রধান কার্যনির্বাহীরা
* প্রতিটি পোলিং স্টেশনে প্রায় ১,০০০ ভোটার থাকে।
* প্রতিটি পোলিং স্টেশনের জন্য একজন বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) আছেন।
* প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে অনেক পোলিং স্টেশন রয়েছে।
* প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য একজন নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ইআরও) আছেন।
* ইআরও একজন সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (এসডিএম) স্তরের কর্মকর্তা, যিনি আইন অনুযায়ী:
খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেন,
দাবি এবং আপত্তি গ্রহণ ও সেগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন, এবং
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেন।
* প্রতিটি তহসিলের জন্য সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা(গণ) (এআরও) আছেন।
* জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইআরও-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১ম আপিল শোনেন।
* রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সিইও ডিএম-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২য় আপিল শোনেন।
3. SIR-এর মূল প্রক্রিয়া
EROS/AEROs-এর কাজ:
২৭শে অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে প্রতিটি ভোটারের জন্য ইউনিক এনুমারেশন ফর্ম (EF) প্রিন্ট করা।
* EF-গুলিতে বর্তমান ভোটার তালিকায় থাকা প্রয়োজনীয় বিবরণ থাকবে।
BLOs-এর কাজ:
* বিদ্যমান প্রতিটি ভোটারের কাছে EF বিতরণ করা।
* ২০০২-২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত শেষ SIR-এর সময়কার ভোটারদের নাম বা তাদের আত্মীয়দের নামের সাথে ফর্মের বিবরণ মিলিয়ে/লিঙ্ক করতে ভোটারদের সহায়তা করা।
* ভোটারদের মিলিয়ে/লিঙ্ক করার জন্য BLO-রা আগের SIR-এর সর্বভারতীয় ডেটাবেস (https://voters.eci.gov.in/) অ্যাক্সেস করতে পারবে।
4. BLOs-রা যা করবেন:
নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির জন্য ফর্ম ৬ এবং ডিক্লারেশন ফর্ম সংগ্রহ করা এবং ম্যাচিং/লিংকিং-এ সাহায্য করা।
* ভোটারকে EF পূরণ করতে সাহায্য করা, এটি সংগ্রহ করা এবং ERO/AERO-এর কাছে জমা দেওয়া।
* প্রতিটি ভোটারের বাড়িতে কমপক্ষে ৩ বার পরিদর্শন করা।
* বিশেষ করে শহুরে ভোটার/অস্থায়ী অভিবাসীরা EF অনলাইনেও পূরণ করতে পারেন।
* মৃত, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত এবং একাধিক স্থানে নিবন্ধিত ভোটারদের চিহ্নিত করা।
* গণনার সময় EF ছাড়া অন্য কোনো নথি EF-এর সঙ্গে সংগ্রহ করার প্রয়োজন নেই।
5. EROS/AEROs-রা যা করবে:
যেসকল ভোটারের গণনা ফর্ম পাওয়া গেছে, তাদের নাম খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা।
* যেসকল ভোটারের নাম শেষ SIR-এর সাথে মেলানো/লিঙ্ক করা যায়নি, তাদের সকলকে নোটিশ জারি করা।
* যোগ্যতার জন্য এই ধরনের মামলা শোনা এবং চূড়ান্ত তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
* EROS/AEROs-দের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে:
* কোনও যোগ্য নাগরিক যেন বাদ না পড়ে; এবং
* কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যেন অন্তর্ভুক্ত না হয়।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (DMs) ERO-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১ম আপিল শুনবেন।
প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা (Chief Electoral Officers) DMs-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২য় আপিল শুনবেন।
6. গণনা-পূর্ববর্তী পর্যায় (Pre-Enumeration Phase):
বিএলও, ইআরও এবং ডিইও-দের প্রশিক্ষণ।
* বিএলও-দের দ্বারা শেষ এসআইআর-এর (SIR) সাথে হাতে করে মেলানো/লিঙ্ক করা।
* ইসিআইনেট (ECINET) দ্বারা শেষ এসআইআর-এর (SIR) সাথে কম্পিউটার মাধ্যমে মেলানো/লিঙ্ক করা।
* রাজনৈতিক দলগুলির সংশ্লিষ্টতা: সিইও, ডিইও এবং ইআরওরা সকল স্বীকৃত দলের সঙ্গে বৈঠক করে এসআইআর প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবেন।
* সকল স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের দ্বারা নিযুক্ত বুথ লেভেল এজেন্ট (বিএলএ)-দের প্রশিক্ষণ।
* বিএলএ-রা ভোটারদের কাছ থেকে সঠিকভাবে পূরণ করা ইএফ (Enumeration Form) সংগ্রহ করতে পারবেন, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০টি ইএফ প্রত্যয়িত করতে পারবেন এবং বিএলও-এর কাছে জমা দিতে পারবেন।
* গণনা পর্যায় (Enumeration Phase):
গণনার ফর্মগুলি মুদ্রণ, বিতরণ, মেলানো/লিঙ্ক করা এবং সঠিকভাবে পূরণ করা ফর্মগুলি সংগ্রহ করা।
সর্বোচ্চ ১,২০০ ভোটার সীমা রেখে পোলিং স্টেশনগুলির যুক্তিযুক্তকরণ (Rationalisation)।
7. এসআইআর-এর প্রধান ধাপসমূহ:
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ
যেসব ভোটারের গণনা ফর্ম পাওয়া গেছে, খসড়া তালিকায় তাদের সবার নাম থাকবে।
* অনুপস্থিত/স্থানান্তরিত/মৃত/নকল নামের তালিকা, যা খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, তা সিইও ওয়েবসাইট/সরকারি অফিসে প্রকাশ করা হবে।
* ইআরও/এআরও-দের দ্বারা নোটিশ জারি এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ
* যেসব ভোটারকে শেষ এসআইআর-এর সাথে মেলানো/লিঙ্ক করা যায়নি, তাদের জন্য নোটিশ জারি করা হবে।
* ভোটার হিসেবে তাদের যোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশক নথি যাচাই করা হবে।
* শেষ এসআইআর-এর আগে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য শুনানি করা হবে।
* ইআরও/এআরও-দের দ্বারা দাবি ও আপত্তি গ্রহণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ
* যেকোনো ভোটার বা স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের বিএলএ একটি দাবি বা আপত্তি দাখিল করতে পারেন।
8. নির্দেশক (সম্পূর্ণ নয়) নথিপত্রের তালিকা
A. যেকোনো পরিচয়পত্র/পেনশন পেমেন্ট অর্ডার যা কোনো কেন্দ্রীয় সরকার/রাজ্য সরকার/পিএসইউ-এর নিয়মিত কর্মচারী/পেনশনারকে দেওয়া হয়েছে।
B. ১৯৮৭ সালের ১লা জুলাইয়ের আগে ভারত সরকার/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ/ব্যাংক/পোস্ট অফিস/এলআইসি/পিএসইউ দ্বারা জারি করা যেকোনো পরিচয়পত্র/সনদ/নথিপত্র।
সক্ষম কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা জন্ম শংসাপত্র।
C. পাসপোর্ট।
D. স্বীকৃত বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা জারি করা ম্যাট্রিকুলেশন/শিক্ষাগত শংসাপত্র।
E. সক্ষম রাজ্য কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র।
F. বন অধিকার শংসাপত্র।
G. সক্ষম কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা ওবিসি/এসসি/এসটি বা অন্য কোনো জাতিগত শংসাপত্র।
H. নাগরিকদের জাতীয় নিবন্ধন (যেখানে এটি বিদ্যমান)।
I. রাজ্য/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রস্তুত করা পারিবারিক নিবন্ধন।
J. সরকার কর্তৃক যেকোনো জমি/বাড়ি বরাদ্দের শংসাপত্র।
K. আধার কার্ডের জন্য, কমিশন কর্তৃক জারি করা পত্র নং ২৩/২০২৫-ইআরএস/ভল.II তারিখ ০৯.০৯.২০২৫-এর নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
জনস্বার্থে প্রচারিত।।
এসআইআরের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করলো কমিশন — রাজ্যে এসআইআরের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করলো নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ২০০২ এর ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন থাকলে বা সমস্যা হবে এই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করা যাবে। হেল্পলাইন নম্বরটি হচ্ছে ১৮০০-১১-১৯৫০। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই নম্বর চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।
সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করলেন মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশানার সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশী। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘বিহারে সফল ভাবে এসআইআরের কাজ হয়েছে। দেশের ২৬টা রাজ্যে এসআইআরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের সাথে আলোচনার পর। এসআইআরের মূল উদ্দেশ্য যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকায় ভোটার তালিকায় রাখা এবং অযোগ্য ভোটারদের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া। বিহারে সাড়ে সাত কোটি ভোটার এসআইআরে অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ১২ রাজ্য এই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।’ নথি হিসাবে আধার কার্ড নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
তিনি বলেন, বিহারে এসআইআর নিয়ে কোন অভিযোগ সামনে আসেনি। মুখ্যনির্বাচন কমিশনারের কথায়, ‘আট বার ইআর (intensive revision) হয়েছে। শেষ বার ২০০২ সালে এই কাজ হয়েছে। বহু ভোটারের নাম দুই জায়গায় রয়ে গিয়েছে, মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ যায়নি, বিদেশি নাগরিকের নাম ভুলবশত অনেক জায়গায় তালিকা ভুক্ত হয়েছে। এই সব নাম বাদ দেওয়ার জন্য এসআইআর।’ তিনি জানান আন্দামান, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কেরল, গোয়া, লাক্ষ্মাদ্বীপ, মধ্য প্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাডু, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ- এই ১২ রাজ্যে। ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে এই ১২ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উল্লেখ্য আসামে সামনে ভোট হলেও এসআইআর হচ্ছে না।
কমিশনের কথায়, ‘বাড়ি বাড়ি বিএলওরা এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দেবে। আজ রাত ১২টার পর ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। যাদের নাম ২০০৩ – ২০০৪ এ প্রকাশিত ভোটার তালিকায় আছে তাদের কোন নথি দিতে হবে না। সেই সময় যাদের নাম ছিল না তার বাবা বা মায়ের নাম যদি সেই তালিকায় থাকে তবে তাকেও আর কোন আলাদা নথি দিতে হবে না। বিএলও তিনবার একটি বাড়িতে যাবেন এই কাজের জন্য। যারা রাজ্যের বাইরে থাকেন তারা অনলাইনেও ফর্মপূরণ করতে পারবেন।’
নভেম্বর মাস থেকে এরাজ্যে শুরু হবে এসআইআর চলবে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। সূত্রের খবর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গোটা দেশেই ধাপে ধাপে চালু হবে এসআইআর।
আজ রাত (30.102025) থেকে ফ্রিজ ভোটার তালিকা, ১২ রাজ্যে কাল থেকে শুরু এসআইআর বললো কমিশন
পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করলো জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২টি রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করলেন মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশানার সুখবীর সিং সান্ধু, বিবেক যোশী। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘বিহারে সফল ভাবে এসআইআরের কাজ হয়েছে। দেশের ২৬টা রাজ্যে এসআইআরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারদের সাথে আলোচনার পর। এসআইআরের মূল উদ্দেশ্য যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকায় ভোটার তালিকায় রাখা এবং অযোগ্য ভোটারদের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া। বিহারে সাড়ে সাত কোটি ভোটার এসআইআরে অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ধাপে ১২ রাজ্য এই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।’ নথি হিসাবে আধার কার্ড নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
তিনি বলেন, বিহারে এসআইআর নিয়ে কোন অভিযোগ সামনে আসেনি। মুখ্যনির্বাচন কমিশনারের কথায়, ‘আট বার ইআর (intensive revision) হয়েছে। শেষ বার ২০০২ সালে এই কাজ হয়েছে। বহু ভোটারের নাম দুই জায়গায় রয়ে গিয়েছে, মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ যায়নি, বিদেশি নাগরিকের নাম ভুলবশত অনেক জায়গায় তালিকা ভুক্ত হয়েছে। এই সব নাম বাদ দেওয়ার জন্য এসআইআর।’ তিনি জানান আন্দামান, ছত্তিশগড়, গুজরাট, কেরল, গোয়া, লাক্ষ্মাদ্বীপ, মধ্য প্রদেশ, পুদুচেরি, রাজস্থান, তামিলনাডু, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ- এই ১২ রাজ্যে। ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে এই ১২ রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উল্লেখ্য আসামে সামনে ভোট হলেও এসআইআর হচ্ছে না।
কমিশনের কথায়, ‘বাড়ি বাড়ি বিএলওরা এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছে দেবে। আজ রাত ১২টার পর ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে দেওয়া হবে। যাদের নাম ২০০৩ – ২০০৪ এ প্রকাশিত ভোটার তালিকায় আছে তাদের কোন নথি দিতে হবে না। সেই সময় যাদের নাম ছিল না তার বাবা বা মায়ের নাম যদি সেই তালিকায় থাকে তবে তাকেও আর কোন আলাদা নথি দিতে হবে না। বিএলও তিনবার একটি বাড়িতে যাবেন এই কাজের জন্য। যারা রাজ্যের বাইরে থাকেন তারা অনলাইনেও ফর্মপূরণ করতে পারবেন।’
নভেম্বর মাস থেকে এরাজ্যে শুরু হবে এসআইআর চলবে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। সূত্রের খবর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গোটা দেশেই ধাপে ধাপে চালু হবে এসআইআর।
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দুই ধাপে হবে এসআইআর। প্রথম ধাপে বিহারের পর দ্বিতীয় ধাপে পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং পুদুচেরিতে এসআইআর হবে। তৃতীয় ধাপে বাকি সাতটা রাজ্যে হবে। পাহাড়ি রাজ্য গুলোয় এখনই এসআইআর হবে না বলে জানা গিয়েছে।
২০০২’র ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫’র তালিকা মেলানোর কাজ রাজ্যে প্রায় শেষ। কমিশন সূত্রে এমনই দাবি জানানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে যে দুই তালিকায় নামে মিল বা ‘ম্যাচিং’ রয়েছে ৫২ শতাংশের।
নভেম্বরেই এসআইআর তিন পর্যায়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথম পর্বে বিএলও-দের মাধ্যমে ফর্মে নাম তোলার কাজ চলবে ৩০-৩৫ দিন। এর পর দু’দফায় খসড়া তালিকা এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
রাজ্যে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গের মোট ভোটারের ৫২ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৩.৭ কোটি ভোটারের নাম ২০০২-র ভোটার তালিকায় রয়েছে। ২০২৫’র জানুয়ারিতে শেষ যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তার ৪৮ শতাংশ, অর্থাৎ ৩.৫ কোটি ভোটারের নাম সেই পুরনো তালিকার বাইরে। উল্লেখ্য রাজ্যে ২০০২ সালেই শেষ ‘নিবিড় সংশোধন’ বা ‘আইআর’ হয়েছিল। কিন্তু সেবার কাউকে ফর্ম ভরতে হয়নি, নথিও চাওয়া হয়নি। বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম খোঁজ করে দেখেছিলেন।
এসআইআর-এ প্রত্যেককে ফর্ম ভরতে বলা হয়েছিল বিহারে। কিন্তু ফর্ম জমার পর রসিদ কাউকে দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টেও সে বিষয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্যের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু হবে কিনা স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, দুই তালিকার ব্যবধান মানে প্রায় তেইশ বছরে বহু মানুষ যেমন মারা গিয়েছেন তেমনি স্বাভাবিক নিয়মেই বহু নাম যুক্ত হয়েছে। অনেকে নিজের বাসস্থান পরিবর্তন করেছেন।
সিইও দপ্তরের সূত্র জানাচ্ছে, এসআইআর কাজ কেবল বাকি রয়েছে জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে এই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এই দুই জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটদাতা রয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিহারে ২০০২’র তালিকার তুলনায় নতুন নামের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ কোটি। পশ্চিমবঙ্গে সেই সংখ্যা ৩.৫ কোটি।
জনস্বার্থে প্রচারিত।।
SIR- আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য। আরো ভালো করে বুঝে নিন।
প্রিয় কমরেড,
২০০২ সালে —২০২৫ সাল পর্যন্ত যাদের ভোটার তালিকায় নাম আছে এবং নতুন ভোটার হবেন তাদের প্রত্যেকেই নতুন করে আবেদন করতে হবে।
BLO বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবেদন পত্র দেবেন এবং পূরণ করে জমা নেবেন।
২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম আছে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের বিষয় নেই এবং সে ব্যক্তির কেউ (সন্তান) ২০০২ সালের পরে ভোটার তালিকায় নাম থাকলে নাগরিকত্ব প্রমাণের সূত্র ব্যবহার করা খুব সহজ থাকবে। এছাড়া বাকি সমস্ত ভোটার তালিকাভুক্ত থাকলে পরেও ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ প্রমাণ দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম রাখতে সক্ষম হবেন।
১•৭•১৯৮৭ তারিখের আগে যাঁরা জন্মেছেন তাদের কেবল নিজের জন্ম তারিখ বা ভারতের জন্ম স্থানের নথিপত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হবে।
০১•৭•৮৭ তারিখ থেকে ০২•১২•২০০৪ তারিখের মধ্যে যাদের জন্ম তাদের নিজের জন্ম তারিখ ও ভারতের জন্ম স্থান নথি এবং মা বাবা দুজনের মধ্যে অন্তত ১জনের জন্ম তারিখ অথবা জন্ম স্থানের নথি দিয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে।
২•১২•২০০৪ সালের পরে যাদের জন্ম তাদের তাদের নিজেদের জন্ম তারিখ বা ভারতের জন্ম স্থান এবং তাদের বাবা মা দুজনের জন্ম তারিখ বা ভারতের জন্মস্থান নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে । যদি বাবা মার মধ্যে কোনও একজন ভারতীয় না হন তা হলে আবেদনকারীর জন্মের সময়কালের তাঁর বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসার কপি দেখাতে হবে।
ঘোষনা পত্রের সমর্থনে জমা দেওয়ার জন্য প্রমাণ পত্রের তালিকা (নিজের, পিতা ও মাতার জন্য স্ব- স্বাক্ষরিত নথি জমা দিতে হবে। তবে ০১•০১•২০০৩
এর ভোটার তালিকায় নাম থাকার নথি জমা দেওয়া হয় , তবে সেটি নিজেই যথেষ্ট প্রমাণ পত্র হিসাবে গণ্য হবে-যা বিহারের ক্ষেত্রে হয়েছে।
কমিশনের বক্তব্য হল, ভোটার লিস্ট থেকে মৃত ব্যক্তির নাম, স্থায়ীভাবে যারা অন্যত্র চলে গেছেন তাদের নাম,একাধিক জায়গায় থাকা ডুপ্লিকেট নাম এবং যারা ভারতীয় নাগরিক নন তাদের নাম বাদ দিয়ে পরিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরি করাই SIR এর উদ্দেশ্য। বাস্তব পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে বাস্তব অভিজ্ঞতা হচ্ছে আমাদের সংবিধান আইন কানুন নিরিখে দেখলে এই SIR অভিযান ন্যায় সঙ্গত নয় এবং একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য (ফ্যাসিবাদ) প্রতিষ্ঠিত করতে অভিযান সংগঠিত করা হচ্ছে।
SIR এর নামে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে ভারতীয় নাগরিকদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার গভীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
@freemang2001gmail-com
2002 Voter List: CEO West Bengal’s New Website Finally Launched! See How to Get the 2002 Voter List in One Click
2002 Voter List: The old website of the Chief Electoral Officer’s (CEO) office in West Bengal has been discontinued, and a new website has been launched in its place. The recent deactivation of the old site had caused significant frustration among the public, especially those trying to access the 2002 voter list. To address this issue, the CEO’s office has introduced this new website, making it easier to access crucial old records.
Contents hide
1. The New Website and Solution
2. How to Find the 2002 Voter List?
The announcement for the Special Intensive Revision (SIR) of electoral rolls was made in the state on Monday, October 27. Coincidentally, the very next day, Tuesday, the old website of the state CEO’s office became inactive. Many people needed to access the 2002 voter list, which is nearly 23 years old, for various reasons. However, with the website being out of service, it became impossible to find the list, leading to widespread public discontent.
The New Website and Solution
To resolve this inconvenience and restore services, the CEO’s office has taken swift action. A modern and user-friendly new website has been launched. The address for the new website is https://ceowestbengal.wb.gov.in/. According to sources in the department, the complete 2002 voter list can now be easily accessed through this new portal. Furthermore, all activities related to the revision of electoral rolls will now be conducted through this new website.
How to Find the 2002 Voter List?
Finding the 2002 voter list on the new website is a straightforward process. Here is a step-by-step guide:
Step 1: First, you need to visit the new CEO office website at https://ceowestbengal.wb.gov.in/. Once the site opens on your mobile or computer, you will see a list of all districts in West Bengal on the homepage.Step 2: Click on the name of the district where you or your parents were registered as voters 23 years ago.Step 3: After clicking on the district name, a list of all assembly constituencies within that district will appear on the screen. You need to click on the name of your respective assembly area.
- Step 4: Next, a list of all polling stations under that assembly constituency will open. From here, you need to find your specific polling station.
- Step 5: Scroll down and click on the name of your polling station, and you will be able to view the 2002 voter list directly.
However, there is one thing to keep in mind. Often, a large polling station (like a school building) may have multiple booths. In such cases, if you remember the booth or part number from 23 years ago, you can find the correct list at once. If you don’t remember it, you may have to check all the lists for the booths under that particular polling station.
SIR ENUMERATION FORM

জনস্বার্থে প্রচারিত।
@freemang2001gmail-com
আরো জানুন ঃ

SIR এর যে প্রশ্নগুলোর উত্তর নেই :
নাগরিকত্ব যাচাইয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন নাক গলানোর চেষ্টা করছে কেন? উত্তর নেই, তবে উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট। যে কাজ অমিত শাহ্-র দপ্তরের করার কথা, সেই কাজ করতে তারা চুড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ। বেছে বেছে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষদের ধর্ম, জাতি, ভাষার ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দানের চেষ্টার বিরুদ্ধে সমগ্র দেশ গর্জে উঠেছিল। এনআরসি বিরোধী গণ আন্দোলনের ঢেউ-এ ভেসে গিয়েছিল আরএসএস-বিজেপি-এর দেশের মানুষকে বিভাজনের পরিকল্পনা।
- বিহারের পর গত ২৭ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গ সহ আরও ১১টা রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision) অভিযান শুরু করা হবে, এই ঘোষণা দেশের নির্বাচন কমিশন করেছেন।
- এসআইআর কী?
- ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) দ্বারা পরিচালিত ভোটার তালিকার বিশেষ অভিযান হলো এসআইআর, যার প্রধান উদ্দেশ্য হলো –
- ভোটার তালিকা বিশুদ্ধ করা অর্থাৎ ভোটার তালিকায় থাকা ভুল, অসঙ্গতি, বা ত্রুটিগুলি দূর করা। মৃত ও স্থানান্তরিতদের নাম বাদ দেওয়া, নতুন যোগ্য ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা, এক ব্যক্তির একাধিক বুথে নাম থাওলে তা বাদ দেওয়া ইত্যাদি।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসাররা (BLOs) বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরোনো এবং বর্তমান ভোটারদের তথ্য যাচাই করেন এবং একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করেন। বিগত দু’দশকে ভারতের বেশিরভাগ রাজ্যে এই নিবিড় সংশোধন করা হয়নি।
- কাদের নাম থাকবে?
- ভোটার তালিকায় নাম রাখতে হলে, বর্তমানে ভোটার তালিকায় নাম থাকা অথবা নাম নেই এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে এই প্রক্রিয়ায় একটি তথ্যাদি সংগ্রহের ফর্ম (Enumeration Form) পূরণ করে জমা দিতে হবে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে বিএলও-এর কাছে জমা দেবেন, তাদের নাম প্রথমে খসড়া তালিকায় (Draft Roll) অন্তর্ভুক্ত হবে।
- যারা প্রমাণ করতে পারবেন যে তাদের নাম বা তাদের বাবা-মা অথবা কোনো ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নাম সর্বশেষ নিবিড় সংশোধন-এর তালিকায় (পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২০০২ সালের তালিকায়) ছিল, তাদের নাম সহজেই তালিকায় থাকার জন্য উপযুক্ত বলে গণ্য হবে।
- যারা ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন বা করবেন, তারা ফর্ম-৬ পূরণ করে নাম তোলার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- যদি কেউ ২০০২ সালের তালিকায় নিজের অথবা বাবা-মা’র নাম না থাকে, তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য তাদের বয়স, বাসস্থান এবং নাগরিকত্ব প্রমাণকারী উপযুক্ত নথি দাখিল করতে হবে এবং শুনানিতে উপস্থিত হতে হবে।
- কী কী নথি লাগবে?
- যাচাইকরণের সময় আপনার নাগরিকত্ব, বয়স এবং বাসস্থানের প্রমাণ হিসাবে নিম্নলিখিত নথিগুলির মধ্যে যে কোনো একটি বা একাধিক চাওয়া হতে পারে।
- উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত ১) জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) ২) বৈধ পাসপোর্ট, ৩) মাধ্যমিক বা স্বীকৃত বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা প্রদত্ত শিক্ষাগত শংসাপত্র, ৪) কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকার বা রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থার নিয়মিত কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য প্রদত্ত পরিচয়পত্র অথবা পেনশন পেমেন্ট অর্ডার (PPO), ৫) রাজ্য সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রদত্ত স্থায়ী বাসস্থানের শংসাপত্র (Permanent Residence Certificate), ৬) ১ জুলাই, ১৯৮৭ সালের আগে ভারত সরকারের বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ/ব্যাঙ্ক/পোস্ট অফিস/জীবন বীমা/রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থা প্রদত্ত যেকোনো পরিচয়পত্র/শংসাপত্র/নথি, ৭) যেখানে প্রযোজ্য (যেমন আসাম), সেখানকার এনআরসি-এর কপি, ৮) ওবিসি/এসসি/এসটি অথবা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যেকোনো জাতিগত শংসাপত্র, ৯) বন অধিকার শংসাপত্র (Forest Right Certificate), ১০) রাজ্য/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত পারিবারিক পঞ্জি (Family Register), ১১) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো জমি/বাড়ি বরাদ্দের শংসাপত্র এবং ১২) আধার কার্ড (Aadhaar Card)। তবে এটি শুধুমাত্র পরিচয়পত্র (Identity Proof) হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে নয়।
- অনেক প্রশ্ন
- প্রথমত নির্বাচন কমিশন নিজেই যে ভোটার কার্ড দিয়েছে প্রত্যেক বৈধ ভোটারকে, সেটাকে বৈধ প্রমাণপত্র হিসাবে নিজেরাই গ্রহণ করতে রাজি নয়। নিজেই নিজেদের দেওয়া নথিকে স্বীকৃতি দিচ্ছে না! কেন? কোনও উত্তর নেই!
- দ্বিতীয়ত সরকার প্রদত্ত রেশন কার্ড, প্যান কার্ড ইত্যাদি কেন গ্রহণযোগ্য নথি হিসাবে বিবেচিত হবে না? এরও কোনও উত্তর নেই!
- তৃতীয়ত, শুধুমাত্র ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারোর নিজের বা বাবা অথবা মা-এর নাম থাকলেই কেন বৈধ ভোটার হিসাবে গণ্য করা হবে? যিনি ২০০২ সালের পর ৫টি লোকসভা নির্বাচন এবং ৪টি বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিলেন অথবা কেউ কেউ জনপ্রতিনিধিও হলেন, তাদের কারোর নাম ২০০২ সালে না থাকলে, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে কেন? তাঁরা কি তাহলে এই ৯টি নির্বাচনে অবৈধ ভোটার ছিলেন? তাহলে এই নির্বাচনগুলির মাধ্যমে নির্বাচিত বিধানসভা এবং লোকসভা কী অবৈধ ছিল? না, কোনও উত্তর নেই!
- চতুর্থত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ১২টি নথির মধ্যে প্রথম ১১টি নথির পাশে লেখা হলো না যে এগুলো নাগরিকত্বের প্রামান্য নথি নয়, অথচ ১২ নম্বরে থাকা আধার কার্ডের পাশে লেখা আছে, এটি শুধুমাত্র পরিচয়পত্র (Identity Proof) হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে নয়। কেন? তাহলে কী আগের ১১টি নথির যে কোনও একটা দেখালেই যে কেউ বৈধ নাগরিক হয়ে যাবেন? এই প্রশ্নেরও কোনও উত্তর নেই!
- হঠাৎ বেছে বেছে আধার কার্ডের পাশে এই কথা লেখা হলো কেন? সুপ্রীম কোর্টের গুঁতোয় আধার কার্ডকে মান্যতা দিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন, সেই রাগেই কী এই আধার কার্ডের প্রতি এই বিমাতৃসুলভ আচরণ! কোনও ব্যাখ্যা নেই এই বিচিত্র সিদ্ধান্তের!
- তফাৎ – ২০০২ এবং ২০২৫
| বৈশিষ্ট্য | ২০০২–২০০৪ সালের এসআইআর) | ২০২৫ সালের এসআইআর |
| মূল তালিকা (Base Roll) | সেই সময়ের সর্বশেষ ভোটার তালিকাকেই ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। | শেষ নিবিড় সংশোধনের তালিকা, অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকাকে (Last SIR) মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। |
| নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা (Enumeration Phase) | সাধারণত, সমস্ত ভোটারের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। | প্রথমে কোনো নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এনুমারেশন ফর্ম (EF) পূরণ করতে হবে। যাদের নাম শেষ এসআইআর-এর তালিকার সাথে মিলবে না, তাদের নোটিশ দেওয়া হবে এবং নথি জমা দিতে বলা হবে। |
@freemang2001gmail-com
আরো জানুন :
অবিলম্বে এই অপরাধমূলক এসআইআর বন্ধ হোক, দাবি এম.এ.বেবির

অবিলম্বে অপরাধমূলক এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি জানালেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে এই কথা লিখেছেন বেবি। উত্তর প্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে কাজের চাপে এবং হুমকির মুখে বিএলও-দের মৃত্যু হচ্ছে বা তাঁরা আত্মঘাতী হচ্ছেন। এরমধ্যেই বিজেপি শাসিত উত্তর প্রদেশে বিএলও এবং এসআইআর-র কাজে যুক্ত অন্য কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য এফআইআর-র খবর সামনে এসেছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এদিন এই দাবি তুলেছেন।
বেবি লিখেছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-এ অস্বাভাবিক কম সময়সীমার মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হওয়া বিএলও-দের মৃত্যুর যে মর্মান্তিক খবরগুলি সামনে আসছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারের নির্দেশে তড়িঘড়ি করে এই প্রক্রিয়া চালানোর ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে — বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা থাকা সত্ত্বেও। উত্তর প্রদেশ সরকার বিএলও-দের বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছে তা থেকে আরও স্পষ্ট হয়েছে, এটা শুধু ব্যাপক ভোটার বঞ্চনার ঝুঁকিই তৈরি করছে না বরং এখন মূল্যবান প্রাণও কেড়ে নিচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে এই অপরাধমূলক এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে, যেসব প্রাণহানি ঘটেছে তার পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হবে এবং মৃতদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এর থেকে কম কিছু গ্রহণযোগ্য নয়।
- @freemang2001gmail-com
আধার থাকলেই কি কেউ ভোটার? প্রশ্ন তুললো সুপ্রিম কোর্ট

ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করেছে নির্বাচন কমিশন। আর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়েই প্রশ্ন তুললো সুপ্রিম কোর্ট। এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, আধার কার্ডধারী একজন অ-নাগরিককেও কি ভোটাধিকার দেওয়া উচিত? আদালত বলেছে যে, আধারের মাধ্যমে সকলের কাছে সামাজিক কল্যাণ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়। এই নথিটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ভোটদানের অধিকার প্রদান করা উচিত নয়।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি চলছে। এদিন সেই মামলার শুনানিতে এই প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ করে না। আধার আইন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এটি নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বাসস্থান প্রদান করে না।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘আধার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। এটা শুধু সুবিধা পাওয়ার জন্য এক ধরনের পরিচয়পত্র। তাহলে কি একজন শ্রমিক, যিনি হয়তো প্রতিবেশী দেশের নাগরিক হয়েও এখানে কাজ করেন, তাঁকে আধার থাকার জন্য ভোটার করে দেওয়া উচিত?’’
আদালত আরও বলেছে যে, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ফর্ম ৬ আবেদনের সাথে জমা দেওয়া নথির সঠিকতা নির্ধারণ করার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট তামিলনাড়ু, কেরালা এবং পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদনের শুনানির সময়সূচীও নির্ধারণ করেছে। বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে হলফনামা দাখিল করতে বলেছে।
মামলাকারিদের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিবাল বলেছেন যে এসআইআর গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর আঘাত নামিয়ে হয়েছে।
@freemang2001gmail-com
আরো জানুন :
Election Commission extends voter list revision timeline by one week
The deadline for submitting the enumeration forms will be December 11 instead of December 4.

@freemang2001gmail-com
শুনানিতে ডাকলে কী কী নথি লাগবে, রইল তালিকা —
ভোটার তালিকায় সার্বিক সংশোধনের নামে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে ভোটারদের! আগামী মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তারপর ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি পর্ব চলবে। তালিকায় নাম থাকা এ রাজ্যের প্রায় ২ কোটির ওপর ভোটারকে এসআইআর-এ নাগরিকত্বের প্রমাণ দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে! কমিশনের হিসাবে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান ভোটারের সংখ্যা ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। ৪৫ শতাংশ ভোটারের ম্যাপিং-এ কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। এই ভোটারদেরই নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসআইআর-এ নাগরিক হিসাবে প্রমাণ দাখিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বিহারের ভোটার তালিকার বিশেষ সার্বিক সংশোধন (এসআইআর)কে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলগুলির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ম্যাচিং ও লিঙ্কিং না হওয়ার ভোটারদের ইআরও নোটিশ পাঠিয়ে শুনানির জন্য ডেকে পাঠাবে। সেখানে তাদের কমিশন নির্ধারিত ১১টি ডকুমেন্ট, তারসঙ্গে ১২তম ডকুমেন্ট হিসাবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আধার কার্ডকে যুক্ত করা হয়েছে।’’ কিন্তু আধার কার্ড যে নাগরিকত্ব প্রমাণের তথ্য নয়, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। ভোটার তালিকার সঙ্গে যেসব ভোটারদের ‘ম্যাচিং ও লিঙ্কিং’ থাকবে না তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি সঙ্গে নিয়েই যেতে হবে শুনানিতে। যাদের শুনানিতে ডাকা হবে, তাদের স্বীকৃত পরিচয় পত্র হিসেবে গৃহীত প্রয়োজনীয় নথিপত্রের তালিকা।
১। যেকোন পরিচয়পত্র/ কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার/ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার যে কোন নিয়মিত কর্মী। পেনশনপ্রাপকে দেওয়া পেনশন পেমেন্ট অর্ডার।
২। ০১০৭ ১৯৮৭ এই তারিখের পর্বে সরকার। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ/ ব্যাঙ্ক/ ডাকঘর/ ভারতীয় জীবনবিমা নিগম/ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কর্তৃক ভারতে প্রদত্ত যে কোন পরিচয়পত্র/ শংসাপত্র/ নথি
৩। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত জন্মের শংশাপত্র
৪। পাসপোর্ট
৫। স্বীকৃত পর্ষদ/ বিশ্ববিদ্যালয় করতৃক প্রদত্ত ম্যাট্রিকুলেশন/ শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র
৬। রাজ্যের উপযুক্ত কতৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত স্থায়ী বাসস্থানের শংসাপত্র।
৭। বনভূমি অধিকর শংসাপত্র।
৮। উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনান্য অনগ্রসর সম্প্রদায়/ তপশিলি জাতি/ তপশিলি উপজাতি বা অন্য কোনো জাতিগত শংসাপত্র। নাগরিকদের জাতীয় রেজিস্টার( যে সমস্ত ক্ষেত্রে এটা রয়েছে।
১০। রাজ্য। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা তৈরি পারিবারিক রেজিস্টার।
১১। কোনো জমি/ বাড়ি বরাদ্দের সরকারি শংসাপত্র।
১২. সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরে আধার কার্ড যুক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যে নথিগুলি চাওয়া হয়েছে নদী ভাঙন সহ বিভিন্ন কারণে সেই নথি অনেকেই দেখাতে পারবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নথি না দেখাতে পারলে বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে এমনও আশঙ্কা রয়েছে। মতুয়া সম্প্রদায়ের বহু মানুষের নাম বাদ যাবে সেই আশঙ্কাও রয়েছে।
@freemang2001gmail-com
SIR West Bengal
শুরু এসআইআরের শুনানি পর্ব

শনিবার থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানির পর্ব। রাজ্যে মোট ৩,২৩৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিইও দপ্তর। ২০০২ ভোটার তালিকার সঙ্গে ম্যাচিং না হওয়ায় ভোটারদের প্রথম পর্যায়ের শুনানির জন্য ডাকা হবে। প্রথম পর্বে ম্যাচিং না হওয়ায় ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ।
রাজ্যের সিইও দপ্তরের এক অধিকর্তা শুক্রবার জানিয়েছিলেন যে ভোটারদের পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার সহ ১২টি স্বীকৃত নথির যে কোনও একটি জমা দিতে হবে প্রমান স্বরূপ। তবে, কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে আধার কার্ডকে একটি স্বতন্ত্র নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। এই পর্বে সঠিক নথি জল দিতে হবে। কোনও ভুয়ো নথি জমা দিলে তা শাস্তি যোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে সিইও দপ্তর।
রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেছেন, “শুনানির জন্য সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ৪,৫০০ জনেরও বেশি মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের তত্ত্বাবধানেই এই শুনানির পর্ব পরিচালিত হবে। শুধুমাত্র ইআরও, এআরও ও বিএলওর মতো অনুমোদিত অধিকারিরাই শুনানি কেন্দ্রগুলিতে যাওয়ার অনুমতি পাবে।”
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে শুনানি কেন্দ্রর বিধি চূড়ান্ত হওয়ার পর কোনও পরিবর্তন হবে না। সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নির্ভুলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।
সিপিআই(এম) জানিয়েছে যে শুনানি পর্বে কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে আইনি সহায়ত সহ সমস্ত ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।
@freemang2001gmail-com
রাজ্যে বাইরে থাকা ব্যক্তিদের হয়ে শুনানিতে হাজির থাকতে পারবে পরিবারের সদস্য

সমালোচনার মুখে এসআইআরের শুনানি নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করলো জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যেই সব ব্যক্তি রাজ্যের বাইরে রয়েছে, কর্মসূত্রে বা লেখাপড়ার কারণে তাদের যদি শুনানিতে ডাকা হয় তবে তারা হাজিরা না-ও দিতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে পরিবারের কোন সদস্যকে তার পর্যাপ্ত নথি নিয়ে শুনানিতে হাজিরা দিতে হবে। এই একই নির্দেশিকা অসুস্থ এবং বয়স্কদের জন্য জারি করেছে কমিশন।
Madhyamik admit cards not acceptable in hearing, says Election commission

Election Commission's new guidelines regarding SIR. The admit card of secondary school is used as a very important document. It is used now, it was used before. But now the National Election Commission is reluctant to accept it. The Election Commission issued a notification on Thursday stating that secondary school admit cards containing age proof will not be accepted in SIR hearings. The Commission has sent a letter to the State CEO's office informing that the Madhyamik (Class 10) admit card is not being approved as an acceptable document for hearing. The Commission informs that the notification issued by the Election Commission on October 27, 2025, did not mention the Madhyamik admit card as a document. Therefore, it cannot be accepted.
The 11 documents previously mentioned by the Election Commission for the SIR process included a secondary school certificate as acceptable, but not an admit card. The argument was that the certificate mentioned the date and year of birth. Later, a request was made to include the secondary school admit card as a document. The Election Commission did not approve that request.
Incidentally, due to information discrepancies between the enumeration form and the previous voter list, many voters are being summoned for hearings, who will have to show one of the 12 specified documents. However, the notification issued by the Election Commission on October 27 does not mention the Madhyamik admit card as a verification document. It is among the 12 documents mentioned by the commission.
1. Any identity card/any regular employee of Central or State Government/Public Sector Undertaking. Pension payment order given to the pensioner.
2. 2. Any identity card/certificate/document issued in India by the Government/Local Authority/Bank/Post Office/Life Insurance Corporation of India/Public Sector Undertaking on or before this date, 1987
3. 3. Birth Certificate issued by the competent authority
4. 4. Passport
5. 5. Matriculation/ Educational Qualification Certificate issued by a recognized Board/University
6. 6. Permanent residence certificate issued by the appropriate authority of the state.
7. 7. Forest land surplus certificate.
8. 8. Other Backward Classes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes or any other caste certificate issued by the competent authority. National Register of Citizens (in all cases where it exists).
9. 10. State. Family register prepared by local authorities.
10. 11. Government certificate of allotment of any land/house.
11.
12. 12. Aadhaar card has been added after the Supreme Court order.
13. The commission has said that the Madhyamik certificate is acceptable among the 12 documents as it mentions the year and date of birth. There was also a mention of educational certificates issued by a recognized board or a recognized university. However, there was no mention of the admit card of secondary school. However, the admit card was accepted district by district. The State CEO's office and the District Magistrates held a video conference to discuss the issue of getting the admit card. Then the state CEO's office wrote a letter to the National Election Commission. On that day, it was clarified in the SIR hearing that the admission to secondary school is not acceptable.
@freemang2001gmail-com
প্রকাশ করতে হবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সোমবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে এই তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রতিটি ব্লক অফিসে আলাদা কাউন্টার খুলতে হবে বলে শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এসআইআরের শুনানিতে যাদের ডাকা হচ্ছে তাদের সাথে একজন ব্যাক্তি যেতে পারবেন। সেই একজন যে কোন রাজনৈতিক দলের বিএলএ’ও হতে পারেন। শুনানিতে এসে ভোটাররা যেই নথি জমা দিচ্ছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে রসিদ দেওয়ার কথাও বলেছে কমিশন। রাজ্যের সিইও দপ্তরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে নথি হিসাবে মান্যতা দেওয়ার জন্য। কমিশন সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে নথি হিসাবে মান্যতা দেওয়া যাবে।
এসআইআরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শুনানি কেন্দ্রে অশান্তির ছবি দেখা গিয়েছে। কোন জায়গায় যাতে কোন বিশৃঙ্খলা না হয় তার জন্য রাজ্যকে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করার কথা বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।
@freemang2001gmail-com
জনগণনার বিজ্ঞপ্তি জারি, এপ্রিল থেকে শুরু, প্রশ্ন থাকছে ৩৩টি

এবার ২০২৭ সালে জনগণনা হবে দেশে। প্রথম ধাপ হাউসলিস্টিং ও হাউজিং এনুমারেশন। প্রতিটি পরিবারের কাছ থেকে মোট ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর সংগ্রহ করা হবে। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ কর্তৃক জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে জনগণনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা বাড়ির কাঠামো থেকে শুরু করে নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংশোধিত পরিকল্পনায় ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, মোবাইল ফোন নম্বর এবং খাদ্যশস্যের ব্যবহার সম্পর্কিত পৃথক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকিং পরিষেবা সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন, যা ২০১১ সালের আদমশুমারির অংশ ছিল, তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রাজ্যকে ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জনগণনার প্রথম ধাপ ‘‘গৃহ তালিকাকরণ এবং আবাসন গণনা’’ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিটি রাজ্যকে তাদের সুবিধা অনুযায়ী ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। নাগরিকদের মোট ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে যে জনগণনার প্রথম ধাপ (গৃহতালিকা) ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে, বাড়ির অবস্থা, তাদের ব্যবহার এবং পরিবারের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রতিটি রাজ্যকে ছয় মাসের মধ্যে ৩০ দিনের সময়কাল নির্বাচন করতে হবে। জণগণনার আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মোট ৩৩টি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন। থাকবে বাড়ির ছাদ, মেঝে এবং দেয়ালে ব্যবহৃত উপকরণ সম্পর্কে তথ্য। মূল প্রশ্নগুলির মধ্যে রয়েছে বাড়িতে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা, প্রধানের লিঙ্গ, বাড়ি ভাড়া, বা মালিকানাধীন। এসসি, এসটি, বা অন্যান্য এবং প্রধানের নাম, সেইসাথে খাদ্যো তালিকায় শস্যের ধরণ সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরিবারের যানবাহনের ধরণ, দুই চাকার বা চার চাকার গাড়ি সম্পর্কেও বিশদ তথ্য ডিজিটাল রেকর্ডের অংশ হয়ে উঠবে। দেশে ২০২৭ সালের জনগণনায় নাগরিকদের জিজ্ঞাসা করা হবে এমন প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে ৩৩টি প্রশ্নের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করেছে। ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া প্রথম পর্যায়ে জনসাধারণকে এই প্রশ্নগুলি জিজ্ঞাসা করা হবে। ডিজিটাল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ হবে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস—দুই প্ল্যাটফর্মেই। কেন্দ্রীয় পোর্টাল থেকে রিয়েল-টাইম মনিটরিং হবে। ২০১১ সালে শেষবার দেশে জনগণনা হয়। ২০২১-এর নির্ধারিত জনগণনা স্থগিত রাখা হয়েছিল।
জনগণনায় কী কী প্রশ্ন করা হবে, জেনে রাখা প্রয়োজন
১. বাড়ির নম্বর (শহর বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা জনগণনা নম্বর)
২. জনগণনার বাড়ির নম্বর
৩. বাড়ির মেঝেতে ব্যবহৃত প্রধান উপকরণ
৪. বাড়ির দেয়ালে ব্যবহৃত প্রধান উপকরণ
৫. বাড়ির ছাদে ব্যবহৃত প্রধান উপকরণ
৬. বাড়ির ব্যবহার
৭. বাড়ির অবস্থা
৮. পরিবারের সংখ্যা
৯. সাধারণত বাড়িতে বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা
১০. গৃহকর্তার নাম
১১. গৃহকর্তার লিঙ্গ
১২. গৃহকর্তা তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা
১৩. গৃহ মালিকানার অবস্থা
১৪. গৃহকর্তার বসবাসের জন্য ঘরের সংখ্যা
১৫. গৃহকর্তার বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা
১৬. পানীয় জলের প্রধান উৎস
১৭. পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা
১৮. আলোর প্রধান উৎস
১৯. শৌচাগারে প্রবেশাধিকার
২০. শৌচাগারের ধরণ
২১. বর্জ্য জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা
২২. বাথরুম
২৩. রান্নাঘরের প্রাপ্যতা এবং এলপিজি/পিএনজি সংযোগের প্রাপ্যতা
২৪. রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি
২৫. রেডিও/ট্রানজিস্টর
২৬. টেলিভিশন
২৭. ইন্টারনেট অ্যাক্সেস
২৮. ল্যাপটপ/কম্পিউটার
২৯. টেলিফোন/মোবাইল ফোন/স্মার্টফোন
৩০. সাইকেল/স্কুটার/মোটরসাইকেল/মোপেড
৩১. গাড়ি/জিপ/ভ্যান
৩২. পরিবারের ব্যবহৃত প্রধান খাদ্যশস্য
৩৩. মোবাইল নম্বর (শুধুমাত্র জনগণনার যোগাযোগের জন্য)
@freemang2001gmail-com
বিএলও’দের বাড়ি বাড়ি পৌছে দিতে হবে ভোটার স্লিপ নির্দেশ কমিশনের

এসআইআর’র কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। এসআইআর শুরু থেকেই এখনও প্রর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের নিত্য নতুন নিয়মে কার্যত বিপর্যস্ত বিএলও’রা। এইআইআর শেষ না হতেই ফের বিএলওদের নতুন ফতোয়া নির্বাচন কমিশনের। নির্দেশে বলা হয়েছে বিএলও’দের ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। এই বিষয়ে কঠোর নির্দেশিকা জারি করলো নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের এক উচ্চ আধিকারিক বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের তিনমাসের ও কম সময় বাকি রয়েছে এবং বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া চলছে। তার মধ্যেই এই নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। সংবাদমাধ্যমকে ওই আধিকারিক আরও বলেন, ” নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ বিতরণ করার কঠোর এবং স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।” একমাত্র কমিশনের অফিসিয়াল লোগো সম্বলিত ভোটার স্লিপই বিতরণ করার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বিএলও’দের। (এই ভোটার স্লিপেই ভোটাদের প্রয়োজনীয় তথ্যের উল্লেখ রয়েছে।) নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ‘‘ভোটার স্লিপে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের উল্লেখ থাকবে সেই সঙ্গেই ভোটারদের নাম, বয়স, ঠিকানা, এপিক নম্বর, পার্ট নম্বর, বুথ নম্বর এবং ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের উল্লেখ থাকবে সেখানে।’’
নির্বাচন কমিশনের আর এক আধিকারিক বলেন, ‘‘বহুক্ষেত্রেই নজরে এসেছে ভোটের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা একধরণের ভোটার স্লিপ বিতরণ করেন। যদি কোনও ভোটার সংশ্লিষ্ট বুথের নির্ধারিত বিএলও’র কাছ থেকে বাড়িতে স্লিপ না পান তাহলে তিনি নির্বাচন কমিশনের হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।’’ অভিযোগ পাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কমিশন সংশ্লিষ্ট বিএলও’র বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
@freemang2001gmail-com
জনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হচ্ছে, বন্ধ করুন এসআইআর, এমএ বেবির চিঠি জ্ঞানেশ কুমারকে

এসআইআর কার্যত জনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের চেহারা নিয়েছে। গণতন্ত্রের ভিত্তি সর্বজনীন ভোটাধিকার বিপদের মধ্যে পড়েছে। এই প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো চিঠিতে এই দাবি করেছেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি।
প্রক্রিয়া ঘিরে চরম অস্বচ্ছতা, প্রশাসনিক গোলযোগ, সময়ের অভাবের মতো বিষয়গুলির উল্লেখ করে বহু বৈধ নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা জানিয়েছেন বেবি। বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছেন প্রক্রিয়ার মাঝপথে পশ্চিমবঙ্গে চালু ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’ বা ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’-র। এই কারণ দেখিয়ে পাঠানো হয়েছে নোটিশ। তিনি বলেছেন, সবচেয়ে বিতর্কিত পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর প্রক্রিয়া। বিপুল অংশ তীব্র আশঙ্কায় ভুগছে। কেউ কেউ আত্মহনন প্রযন্ত করেছেন।
বেবি প্রশ্ন তুলেছেন যে নির্বাচনের ঠিক মুখে থাকা পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা এবং তামিলনাডুতে এসআইআর হচ্ছে কেন। তিনি বলেছেন যে ভোটার তালিকায় নিয়মমাফিক সংশোধনের বদলে এই প্রক্রিয়ায় ঘুরপথে এনআরসি করার ব্যবস্থা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সূচী পিছিয়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গে শনিবার শেষ হচ্ছে শুনানি প্রক্রিয়া। ‘আনম্যাপড’ অর্থাৎ ২০০২’র তালিকায় নামের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’-র নামে পাঠানোর নোটিশের শুনানি ঘিরে যুক্তিহীন হেনস্তার ছবি ধরা পড়েছে রাজ্যজুড়ে।
এদিন আবার রাজ্য সরকারের পাঠানো আধিকারিকদের নামের তালিকা নিয়ে ফের চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। এই তালিকায় সবাই ‘গ্রুপ বি’ আধিকারিক কিনা তোলা হয়েছে সে প্রশ্ন।
বেবির চিঠিতে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বলা হয়েছে যে পুরো বিষয়টি বিশৃঙ্খল, অস্বচ্ছ, একতরফা এবং বাদ দেওয়ার জন্য করা হচ্ছে। নতুন ভোটার তালিকার বৈধতা এবং ভোটাধিকারের মৌলিক অধিকার প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
চিঠিতে তোলা হয়েছে অবাস্তব সময়সীমা, আলোচনার অভাব, ভোটদাতাদের ঘাড়ে দায় চাপানোর মতো বিষয়গুলি। বিপুল সংখ্যায় ৭ নম্বর ফর্ম জমা করার অনুমতি দিয়ে নির্দিষ্ট অংশকে বাদ দেওয়ার বিষয়টিও তুলেছেন বেবি।
পশ্চিমবঙ্গের ভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’ খুঁজে বের করা হয়েছে একটি অস্বচ্ছ সফ্টওয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে। সুপ্রিম কোর্টে যা বলা হয়েছে তার উলটো, সফটওয়ারে নিজে থেকেই নোটিশ বের হচ্ছে।
বলা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকদের দিয়ে আধা বিচারবিভাগীয় দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। অত্যন্ত কম সময়ের কারণে প্রায় ১.৫ কোটি মানুষ বিপদের পড়েছেন। নিয়মমাফিক ব্যবস্থা এড়িয়ে কমিশন সমান্তরালভাবে মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করেছে।
বেবি মনে করিয়েছেন যে গোড়া থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে সিপিআই(এম)। গণতন্ত্রের জন্যই ভোটার তালিকার নিয়মিত সংশোধন জরুরি। সেটি নিয়মমাফিক প্রক্রিয়া। কিন্তু এসআইআর কেবল ভোটার তালিকা সংশোধন করতে নামেনি। বেবি বলেছেন, কমিশনের দায়িত্ব না হলেও নাগরিকত্ব ঠিক করার চেষ্টা করছে।
@freemang2001gmail-com
READ MORE NEWS ON SIR
Bengal SIR : 4.9 lakh voters did not attend hearings despite summons, 1.6 lakh flagged ‘ineligible’.
@freemang2001gmail-com
শুনানি প্রক্রিয়া শেষের পর নতুন নির্দেশিকা কমিশনের

বাংলার বাড়ি বা প্রধানমন্ত্রী আভাস যোজনার নথি এসআইআরে গ্রহণযোগ্য নয়। বিঞ্জপ্তি দিয়ে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২৮ তারিখ প্রকাশিত হবে ভোটার তালিকা। ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে শুনানি। শুনানি পর্বে যাদের ডাকা হয়েছিল তাদের অনেকেই এই দুই প্রকল্পের কাগজ জমা দিয়েছেন নথি হিসাবে। উল্লেখ্য সেই সময় কমিশনের পক্ষ থেকে কোন আপত্তি বা নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। শুনানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর কমিশনের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
কমিশনের যুক্তি ১৩টি নথির মধ্যে বাংলার বাড়ি বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাগজ দিয়েছেন তাদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু প্রশ্ন যারা শুধুমাত্র এই দুই প্রকল্পের কাগজ জমা দিয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কী হবে, তাদের নাম কি তালিকায় থাকবে? কমিশনের পক্ষ থেকে কোন উত্তর নেই।
এসআইআরের নাম করে সাধারণ মানুষের যেই হয়রানি তা নিয়ে বার বার সরব হয়েছে বামপন্থীরা। জেলায় জেলায় হয়েছে বিডিও অফিস অভিযান। বামপন্থীদের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছিল নথি জমা নেওয়ার বদলে রসিদ দিতে হবে কমিশনকে।
@freemang2001gmail-com
জেলা বিচারপতিরা দেখবেন ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি‘ খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের সহায়তা চাইল সুপ্রিম কোর্ট
অসহযোগিতার জন্য তিরস্কার রাজ্যকেও।
জেলা আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগের অনুরোধ হাইকোর্টকে।
আগামীকালই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ রাজ্যকে।
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, এই বিচারপতিরা ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’-র অভিযোগে পাঠানো নোটিশের ভিত্তিতে ভোটদাতারা যে নথি জমা দিয়েছেন তা পরীক্ষা করবেন।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছেন, ‘‘দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে অভিযোগ এবং পালটা অভিযোগ চলছে।‘‘ যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সিতে যে নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে তা নিয়ে চলছে বিরোধ।’’
সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে শনিবারই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার, মুখ্য সচিব, পুলিশের ডিজি এবং শীর্ষ সরকারি আধিকারিকদের।
হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে সু্প্রিম কোর্ট যাতে প্রতিটি জেলায় এমন অসঙ্গতি খতিয়ে দেখার কাজে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা বিচারপতি অথবা অতিরিক্ত জেলা বিচারপতিদের দায়িত্ব দেওয়া যায়।
গত নভেম্বরে রাজ্যের এসআইআর নিয়ে প্রথম মামলা দায়ের করেছিলেন মুর্শিদাবাদের মোস্তারি বানু।
@freemang2001gmail-com
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড এবং সার্টিফিকেটকে মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্ট–
রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বড়সড় স্বস্তি দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণীর অ্যাডমিট কার্ডের সঙ্গে যদি পাসের শংসাপত্র থাকে, তবে সেটিকে বয়স ও অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে একক পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে পাসের শংসাপত্রের সাথে জমা দিলে এটি জন্মতারিখ এবং বাবা-মায়ের নাম যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘সাপ্লিমেন্টারি’ বা সহায়ক নথি হিসেবে কাজ করবে।
রাজ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটারকে এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডাকা হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথা। প্রকাশিত হবে চুড়ান্ত ভোটার তালিকা। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ২৫০ জন জেলা বিচারকের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিসের অভিজ্ঞ বিচারকদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কাজের চাপ সামলাতে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের কাছে বিচারবিভাগীয় অফিসার চেয়ে পাঠানোর জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিভাবকের নামের বানান ভুল বা ভোটারের সাথে তাঁর বাবা-মায়ের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম কিংবা ৫০ বছরের বেশি হওয়ার মতো সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা।
যে সমস্ত নথি এখনও আপলোড করা হয়নি কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়েছে, সেই সব তথ্য আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
ট্রাইব্যুনালের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের–08.04.2026

রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের তুমুল বিতণ্ডান্ডায় বিরক্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর’র কাজে বিচার বিভাগকে হস্তক্ষেপের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এরাজ্যের এসআইআর’এ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির শুনানিতে আসা ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারদের সমস্যার সমাধানে বিচার বিভাগের যুক্ত আধিকারিকদের নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। নির্বাচন কমিশন সোমবার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিবেচনাধীন ৫৯ লক্ষেরও বেশি নিষ্পত্তি করেছেন। কমিশন আদালতকে জানিয়েছে, সোমাবর দুপুর ১২টা ০৪মিনিট পর্যন্ত ৫৯ লক্ষ ১৫ হাজার নামের নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার রাত্রের মধ্যেই বাকি নামের নিষ্পত্তি সম্ভব বলে সুপ্রিম কোর্টকে আশ্বস্ত করেছে কমিশন। এদিন সুপ্রিম কোর্টকে চিঠি লিখে এই তথ্য দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। অর্থাৎ এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিবেচনাধীন ভোটারদের কাজের নিষ্পত্তি হয়ে যাচ্ছে সোমবারের মধ্যেই।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিষ্পত্তি করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট একদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, ‘‘আমরা ট্রাইব্যুনালগুলিকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের দেওয়া কারণসহ সম্পূর্ণ নথিপত্র প্রক্রিয়াটি পর্যালোচনা করার জন্য অনুরোধ করেছি, যাতে সমস্ত রকম সন্দেহ দূর করা যায়।’’ আদালত আরও বলেছে, ‘‘আমরা তাদের একটি সুষ্ঠু শুনানির সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।’’
সুপ্রিম কোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে মালদা জেলায় প্রায় ৮ লক্ষ দাবির নিষ্পত্তি হয়েছে। আদালত বলেছে বাকি মামলাগুলোও দ্রুত নিষ্পত্তি করা উচিত। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে চাইলে আজ রাতেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে পারে নির্বাচন কমিশন। ডিজিটাল সিগনেচার আপলোডের জন্য পোর্টাল খোলা থাকবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত, যাতে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়। কমিশন সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে, অবশিষ্ট ভোটারদের সাপ্লিমেন্টারি আজ রাতে প্রকাশ করা হবে।
সরকারি আইনজীবী আদালতকে জানালেন বাদ পড়া ভোটারদের শুনানির জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল এখনও কার্যকর হয়নি। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেছেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা উচিত যাতে ট্রাইব্যুনালগুলি তাদের সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে পারে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সুপ্রিম কোর্ট সতর্ক করে বলেছে রাজ্যের ব্যবস্থা যদি কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তবে কী করা যায় তা খতিয়ে দেখা হবে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে অতীতের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না। ট্রাইব্যুনালে আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে তিন বিচারপতির একটি কমিটি গঠন করতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে।
শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিচারকরা সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ট্রাইব্যুনালগুলি নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তবে সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি একটাই হবে, যা নির্ধারণ করবে এই কমিটি। জেলাশাসকের দপ্তরে অফলাইনে আপিল জমা পড়লে রসিদ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৩ এপ্রিল।

cpimlliberationwb
অল্ট নিউজের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে SIR-এ ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, মানিকচক। মানিকের, সামসেরগঞ্জ, বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মুসলিমদের নিশানা বানিয়ে ‘বিচারাধীন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সবর ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণে এই একই প্যাটার্ন দেখা গেছে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে।
বিভিন্ন কেন্দ্রে বাতিল হয়েছেন বহু মতুয়া, মহিলা সহ প্রান্তিক অংশের নাগরিকেরা।
‘বিচারাধীন’ ভোটারদের বড় অংশই এখন বাতিলের তালিকায়। ট্রাইব্যুনালের মুখে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।
বাংলা দখলের এই ঘৃণ্য চক্রান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। নির্বাচনে বিজেপি'কে যোগ্য জবাব দিন।
thequint
The Nandigram question in West Bengal: Muslims have been disproportionately hit, comprising 95.5% of the deleted voters in supplementary lists.
A study by Sabar Institute has flagged that in Nandigram, the East Midnapore Assembly seat represented by BJP leader Suvendu Adhikari, Muslims purportedly form the overwhelming majority of those who can’t cast their votes in the upcoming elections.
Earlier too, Sabar reported Muslims account for 52% of voters marked with “logical discrepancies” in Bhowanipore and nearly 78% in Ballygunge.

@freemang2001gmail-com
ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’-র সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন বিবেচনা করবে সুপ্রিম কোর্ট
রাজ্যের ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করার সময়সীমা বিবেচনা করবে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত শুনানিতে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।
বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল পাঞ্চোলি।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই বিচারবিভাগীয় ১৯টি ট্রাইবুনাল বাদ পড়া নামের আবেদন বিচার করছে। এদিন শুনানিতে এক আইনজীবী বলেন যে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ট্রাইবুনাল দু’টি আবেদন মঞ্জুর করেছে। বিবেচনাধীন নাম বিবেচনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিদের সিদ্ধান্তকে বাতিল করেছে।
ওই আইনজীবী শুক্রবারের শুনানিতে বলেন যে তালিকা ‘ফ্রিজ’ হয়ে যাওয়ায় এই নাম আর নেওয়া হচ্ছে না। ফলে বৈধ ভোটদাতা হয়েও এই আবেদনকারীরা ভোটাধিকার পাচ্ছেন না। এমন একাধিক আবেদনের ক্ষেত্রে এই ঘটনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন আদালতে জানায় যে ৯ এপ্রিল তালিকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এর পর কোনও নাম আর বিবেচনা করা হবে না।
ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়ে গেলে আর কোনও নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত হয় না। এর আগে জানা গিয়েছিল প্রথম দফার মনোনয়ন জমার শেষ দিন ৬ এপ্রিল।
বৃহস্পতিবারই পশ্চিমবঙ্গের সিইও দপ্তরে গিয়ে নির্দিষ্ট ভোটার তালিকা, যার ভিত্তিতে ভোট হবে, তা প্রকাশ করার দাবি জানিয়ে এসেছে সিপিআই(এম) প্রতিনিধিদল।
ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করার সময়সীমা সংক্রান্ত আবেদনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘‘নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরির একটি সময়সীমা থাকে। আবার ভোটার তালিকা নাম থাকা এবং ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়টিও রয়েছে। সাংবিধানিক অধিকার আরও বড় বিষয়।’’ ‘‘ তিনি বলেন, ‘‘আগামী ১৩ এপ্রিলের শুনানিতে বিষয়টি দেখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দেশও দেওয়া হবে।’’
@freemang2001gmail-com
The Supreme Court on Monday verbally remarked that in West Bengal, the Election Commission appeared to have deviated from the special intensive revision procedure that it had adopted in other states by introducing a new category of “logical discrepancy”, Live Law reported.
In the special intensive revision of electoral rolls, logical discrepancies refer to a mismatch in parents’ names, low age gap with parents and the number of children of the parents being more than six.
Justice Joymala Bagchi on Monday said that there was a need to have a “robust appellate mechanism” to hear appeals by persons deleted from the electoral rolls.
Further, the judge remarked that the poll panel deviated from its stand in Bihar that individuals mapped in the 2002 voter rolls would not need to upload documents, according to Live Law.
Read the full report on Scroll.in (LINK IN BIO)
@freemang2001gmail-com



