Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

পরিকল্পিত ভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে নাম, কমিশনে চিঠি সিপিআই(এম)’এর

রাজ্যে চলমান ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে প্রশাসনিক ও কারিগরি অনিয়মের অভিযোগ তুলল সিপিআই(এম)। এদিন সিইও দপ্তরে গিয়ে সিইও’র সাথে দেখা করেন সিপিআই(এম)’এর একটি প্রতিনিধি দল। দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ হওয়ার বদলে প্রকৃত নাগরিকদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
সিপিআই(এম)’এর অভিযোগ, শুরুতে ২-৩টি বুথ পিছু একজন সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (AERO) নিয়োগের পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে একজন আধিকারিককে ৭ থেকে ১২টি বুথের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এর ওপর গত ৩০ জানুয়ারি নতুন আধিকারিক নিয়োগ এবং মাঝপথে বুথের পাসওয়ার্ড হস্তান্তরের ফলে গোটা প্রক্রিয়ায় চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল পোর্টালটি বর্তমানে সহায়তার বদলে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি সিপিআই(এম)-এর। অভিযোগ সিরিয়াল নম্বর দিয়ে খোঁজার সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ভোটার আইডি ম্যানুয়ালি ইনপুট করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় নষ্ট হচ্ছে। গত ৩-৪ দিন ধরে পোর্টালের ‘ডকুমেন্ট আপলোড’ সুবিধাটি আচমকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার আবেদনকারীর তথ্য সংশোধন বা প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে।
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তির শেষ সময় ২১ ফেব্রুয়ারি থাকলেও, বিভিন্ন জেলাশাসকের (DM) দপ্তর থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতেই পাসওয়ার্ড লগ-আউট করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিপিআই(এম) এর আশঙ্কা, আধিকারিকদের ওপর ৩,০০০-৩,৫০০ কেসের বিপুল চাপ তৈরি করে ইচ্ছাকৃতভাবে এই ৪৮ ঘণ্টা সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে সময় ফুরিয়ে যাওয়ার অজুহাতে কয়েক হাজার আবেদন বাতিল করে দেওয়া যায়।
সিপিআই(এম)-এর তরফে ভোটারদের পরিচয়পত্র ও নথি নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। আধারে বাবার নাম ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকার কারণে বৈধ আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। কমিশনের নির্দেশিকায় থাকলেও পরচা, প্যান কার্ড বা স্কুল সার্টিফিকেটের মতো নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না। সিপিআই(এম)’এর প্রতিনিধিদের কথায় নামে ‘খাতুন’ বা ‘বিবি’র মতো পদবী থাকা বা না থাকার মতো তুচ্ছ কারণে ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে।
২০০২ সাল থেকে ভোটার তালিকায় থাকা ব্যক্তিদেরও ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি’র নোটিশ পাঠিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগটি হলো প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিয়ে। সিপিআই(এম) এর দাবি, রোল অবজারভার এবং মাইক্রো-অবজারভাররা অনেক ক্ষেত্রে বৈধ কেসগুলিকেও বাতিল করার জন্য এইআরওদের বাধ্য করছেন। এমনকি নির্দেশ না মানলে আধিকারিকদের সাসপেন্ড করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সিপিআই(এম) চারটি মূল দাবি জানিয়েছে। প্রথম হচ্ছে, ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত পোর্টাল খোলা রাখতে হবে। দ্বিতীয়, ডকুমেন্ট আপলোড করার সুবিধা পুনরায় চালু করতে হবে। তৃতীয়, পরচা, স্কুল সার্টিফিকেটসহ সমস্ত বিধিবদ্ধ নথি গ্রহণ করতে হবে। চতুর্থ, পর্যবেক্ষকদের পক্ষ থেকে ‘জোরপূর্বক রিজেকশন’ বন্ধ করতে হবে।
সিপিআই(এম) এর কথায়, যদি অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হয়, তবে আসন্ন নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বিঘ্নিত হবে।

  • @freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating