Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

জাতি সমস্যার সমাধান ও প্রসঙ্গ ভারত–জীবেশ সরকার

নভেম্বর বিপ্লবের আগেই ১৯১৩ সালে স্তালিনের লেখা প্রবন্ধ “জাতি সমস্যা ও মাকর্সবাদ” পাঠ করে লেনিন লেখক স্তালিনকে ‘বিস্ময়কর জর্জিয়ান’ আখ্যা দিয়েছিলেন। নভেম্বর বিপ্লবের পরে সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় তিনি জাতিগত সমস্যা নিরসনের দায়িত্ব পালন করেন। যা ছিলো ঐতিহাসিক সাফল্য।

পৃথিবীর ইতিহাসে মহান নভেম্বর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব এমন এক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা যা মানবমুক্তির সংগ্রামে আলোকবর্তিকা হিসাবে চিরকালীন স্বীকৃতি লাভ করেছে। পৃথিবীতে অনেক বিদ্রোহ, বিপ্লব ও অভ্যুত্থান হয়েছে – কিন্তু তাতে এক শোষকের জায়গায় আরেক শোষক শাসন ক্ষমতায় আসীন হয়েছে। কিন্তু নভেম্বর বিপ্লব রচনা করেছে বিপরীত ইতিহাস। প্রতিষ্ঠিত করেছিল এক শোষণহীন সমাজ। শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় গিয়ে অভিভূত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁর পুত্রকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, “রাশিয়ায় এসেছি না এলে এ জন্মের তীর্থদর্শন অত্যন্ত অসমাপ্ত থাকত”। ফয়েরবাখ-এর থিসিস সম্পর্কিত আলোচনায় কার্ল মার্কস বলেছেন, “দার্শনিকরা এতদিন বিশ্বকে শুধু নানাভাবে ব্যাখ্যাই করেছেন, কিন্তু আসল কথা হলো এর পরিবর্তন করা”। মহান নভেম্বর বিপ্লব সেই পরিবর্তন করেই বিশ্ব ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলো। প্রমাণ করেছিলো যে বিশ্বকে পরিবর্তন করা সম্ভব। 

একথা ঠিক নভেম্বর বিপ্লবের ফসল সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে গেছে, সমাজতান্ত্রিক দুনিয়া ধাক্কা খেয়েছে, বিশ্ব রাজনীতি এখন ভিন্ন অবস্থায়, বিশ্ববাসী নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এই বিপর্যয়ের কারণগুলি নানা ভাবে বিশ্লেষিত হচ্ছে। সে প্রসঙ্গ আলাদা। কিন্তু বিপর্যয় ঘটলেও, নভেম্বর বিপ্লব ও তার অবদানসমূহ মানব সভ্যতার অগ্রগতিতে দিশারী হয়েই রয়েছে।
নভেম্বর বিপ্লবের ফসল সোভিয়েত রাশিয়ার বহুমুখী সাফল্য সমগ্র বিশ্বকে চমকিত করেছিলো। সেই বহুমাত্রিক সাফল্যগুলির অন্যতম হলো জাতি সমস্যার সমাধান। অবশ্য এক্ষেত্রে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে লেনিনের বৈজ্ঞানিক ভাবনা কার্যকর করার ক্ষেত্রে স্তালিনের অবদান অপরিসীম। এমনকি লেনিন নিজেও তা স্বীকার করেছেন। নভেম্বর বিপ্লবের আগেই ১৯১৩ সালে স্তালিনের লেখা প্রবন্ধ “জাতি সমস্যা ও মাকর্সবাদ” পাঠ করে লেনিন লেখক স্তালিনকে ‘বিস্ময়কর জর্জিয়ান’ আখ্যা দিয়েছিলেন। নভেম্বর বিপ্লবের পরে সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় তিনি জাতিগত সমস্যা নিরসনের দায়িত্ব পালন করেন। যা ছিলো ঐতিহাসিক সাফল্য।

নভেম্বর বিপ্লবের আগে জার (সম্রাট) শাসিত রাশিয়া ছিল নিপীড়িত জাতি সমূহের কারাগার। সেই কারাগারকে সমাজতান্ত্রিক রাশিয়াতে জাতিগত সমস্যা সমাধানের ল্যাবরেটারি উন্নীত করা সম্ভব হয়েছিলো। নিপীড়িত জাতিগুলির মধ্যে সম্পর্ক ছিল বিদ্বেষপূর্ণ। পশ্চাতপদতা, সমস্যা ও সংকট মোকাবিলায় জাতিগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন ও বিপ্লবী কার্যক্রম পরিচালিনা করা রাশিয়ান সোশ্যাল ডেমোক্রাটিক লেবার পার্টি (কমিউনিস্ট পার্টি)-র কাছে ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। পার্টির অভ্যন্তরে মেনশেভিকদের ছিল নানা অবৈজ্ঞানিক ধারণা ও কাজ। এই বহুবিধ চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছিল সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়া।

সমস্ত ভ্রান্ত চিন্তাধারার বিপরীতে স্তালিন জাতি গঠনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, “জাতি হলো ঐতিহাসিকভাবে বিকশিত এমন একটি স্থায়ী সম্প্রদায় যাদের ভাষা এক, বাসভূমি এক, অর্থনৈতিক জীবন এক, মানসিক গড়নও এক এবং ঐ মানসিক গড়ন একটি সাধারণ সংস্কৃতির ভিতর দিয়ে প্রকাশিত হয়।” এই জাতিগুলি আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার থাকার কথা তিনি শুধু তাত্ত্বিক ভাবেই ব্যাখ্যা করলেন না, নভেম্বর বিপ্লবের পরে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের সংবিধানেও এই অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি হলো আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের অপব্যাখ্যার বা খণ্ডিত ব্যাখ্যার ফলে। নভেম্বর বিপ্লবের পরে নিউ ইকনমিক পলিসি (NEP) গ্রহণ করে সমাজতান্ত্রিক নির্মাণের কাজে লেনিনের নেতৃত্বে বিশাল কর্ম উদ্যোগ শুরু হয় তখন জার শাসিত “জাতিসমূহের কারাগার” থেকে মুক্ত ছোট ছোট জাতিগুলির অধিকার, উন্নয়ন ও ঐক্য প্রসারে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। সেই সময় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারেরে নামে বিচ্ছিন্নতার প্রবণতাকে মোকাবিলা করার জন্য লেনিন ও স্তালিন উভয়েই ব্যাখ্যা করেন যে আত্মনিয়ন্ত্রণ অর্থে শুধুমাত্র স্বাতন্ত্র্য বোঝায় না। স্বেচ্ছায় অন্য জাতি বা জাতিগুলির সঙ্গে একত্রিত হয়ে থাকাও আত্মনিয়ন্ত্রণের আরেকটি দিক। কোন জাতির পৃথক হওয়ার দাবি যদি সেই বিশেষ ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের বিকাশের বাধা হয়ে ওঠে তা হলে গণতন্ত্রকে বিসর্জন দেবার প্রশ্নেই উঠবে না, পৃথক হওয়ার দাবীটিকেই অগ্রাহ্য করতে হবে। জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে লেনিন বলেছিলেন – “কোন জাতির সমাজ বিষয় অনুধাবন করার ক্ষেত্রে মার্কসবাদী প্রয়োজনীয়তা হলো, নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সময়কালের প্রেক্ষাপটে সেই দেশটির সাথে অন্যান্য দেশগুলির সুনির্দিষ্ট পার্থক্যগুলি বিবেচনা রাখতে হবে”।  জার শাসিত রাশিয়ায় বৃহৎ রুশ জাতির সাথে অন্য ক্ষুদ্র জাতিগুলির সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নভেম্বর বিপ্লব পরবর্তী সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই জাতিগুলির পৃথক হওয়ার পরিবর্তে ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়নের আগ্রহ বিকশিত হয়। ছোট-বড় নির্বিশেষে সমস্ত জাতিগুলির অধিকার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সমতার ভিত্তিতে স্বীকৃত হয় নভেম্বর বিপ্লব পরবর্তী সমাজতান্ত্রিক রাশিয়ায়। এই নীতির উপরে দাঁড়িয়েই নভেম্বর বিপ্লবের ফসল সোভিয়েত রাশিয়ায় জাতিগুলিকে ঐক্যবদ্ধ রেখে উন্নয়ন ও অগ্রগতির উজ্জ্বল নজির সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছিল। এই ঐক্য এতটাই সুসংহত হয়েছিলো যে মানবতার ঘৃণ্য শত্রু হিটলারের নাৎসি বাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছিল রাশিয়ার নানা জাতির মিলনে সংগঠিত স্তালিনের নেতৃত্বাধীন লালফৌজ। সমাজতান্ত্রিক রাশিয়া রক্ষায় প্রাণ দিয়েছিল দু’কোটির বেশী মানুষ। 
আজ সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন নেই, জাতিগুলিও একে অপর থেকে পৃথক হয়ে গেছে, কেউ কেউ পারস্পরিক বিবাদ এমনকি যুদ্ধে লিপ্ত। এতদসত্ত্বেও নভেম্বর বিপ্লবের পরে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতি সমস্যার যেভাবে সমাধান করেছিল, তা অনন্য নজির হিসাবেই চিরদিন বিবেচিত হবে। পশ্চাৎপদ জাতি ও জনগোষ্ঠীর সদস্যরাও সমান অধিকার অর্জন করে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, শিল্প, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতিতে সমমাত্রায় উন্নীত হয়েছিল, সেই সাফল্য অস্বীকার করা যাবে না। এভাবেই নভেম্বর বিপ্লবের সাফল্যের অভিজ্ঞতা চির অমলিন হয়ে থাকবে।

প্রসঙ্গ ভারত
ভারতে জাতি-জনজাতি বিষয়ক চিত্র, বর্তমান রাজনৈতিক- অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় রেখেই জাতিগত প্রসঙ্গটি আলোচনা করা দরকার। আমাদের দেশে জাতি-সমস্যা সমাধানে নভেম্বর বিপ্লবের শিক্ষাকে সামনে রাখলেও কোন যান্ত্রিক অনুকরণ করার প্রশ্ন নেই। বলা বাহুল্য অন্য কোন দেশের হুবহু অনুকরণের পরামর্শও গ্রহণযোগ্য নয়। ঐতিহাসিক কারণে ভারতে প্রত্যেক জাতির জাতিগত পৃথক রাষ্ট্র গঠিত না হয়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ভারত একটি বহুজাতিক রাষ্ট্র রূপেই গঠিত হয়েছে।

ভারতে ভাষাগত, ধর্মীয়, নৃতাত্বিক, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র পৃথিবীর যে কোনও দেশের থেকে অনেক বেশী। সরকারি নথি অনুযায়ী ভারতে অন্তত ১৬১৮টি ভাষা, ৬৪০০ রকমের জাত (কাস্ট), ৬টি বড় ধর্ম আছে, যার মধ্যে ৮টি এদেশেই তৈরী হয়েছে। নৃতাত্বিক ভাবে চিহ্নিত ৬টি জনগোষ্ঠী আছে। এসব নিয়েই বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের অপূর্ব নিদর্শন আমাদের দেশ ভারতে “নানা ভাষা, নানা মত নানা পরিধান/ বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান”। কিন্তু বাস্তবতা হলো যে এই ভারত এখনো আমাদের আকাক্ষিত “শোষণ মুক্ত” সমাজের ভারত নয়। আবার একই সাথে উল্লেখ করা দরকার যে এখানে কোন জাতিগত শোষণ নেই। আছে শ্রেণীগত শোষণ। বিশেষ করে একচেটিয়া পুঁজিবাদ, সামন্তবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী শোষণের যাতাকলে নানা ভাষা-ধর্ম-সম্প্রদায়ের ভারতবাসী জর্জরিত। বর্তমান সময়ে নয়া উদার আর্থিক নীতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লগ্নি পুঁজির দাপট, ভারতে নয়া ফ্যাসিবাদী চেহারা ক্রমাগত প্রকট হওয়াতে এই শোষণের মাত্রা সর্বগ্রাসী চেহারা নিচ্ছে। সার্বভৌম অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা সবই আজ আক্রান্ত। বহুজাতিক গণতান্ত্রিক ভারতে সে কারণেই দেশে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগুলির প্রকৃত সমতা ও স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে ভারতীয় ইউনিয়নের ঐক্য রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর বিকাশের জন্য কাজ করতে হবে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে আমাদের দেশের নানা স্থানে জাতি জনজাতি, ভাষা, ধর্ম ও আঞ্চলিক আবেগকে কাজে লাগিয়ে যে পৃথক হওয়ার আন্দোলন করা হয়ে থাকে, তা কার্যত আত্মনিয়ন্ত্রণের শ্লোগানের আড়ালে আত্মঘাতী চেহারা নেয়। সুযোগ গ্রহণ করে পুঁজিবাদি-সামন্তবাদী-সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের নয়া ফ্যাসিবাদী শোষণ যন্ত্র। বর্তমান সময়ে এমন এক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে যেখানে নয়া ফ্যাসিবাদ ও কর্পোরেট পুঁজি সহযোগী সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী শক্তি আমাদের দেশের জাতীয় সংহতি এবং ঐক্যের উপর আঘাত হানছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-এর (RSS) নিদান অনুসারে। আমরা জানি পুঁজিবাদের নিয়মই হচ্ছে অসম বিকাশ। ফলে অঞ্চলভেদে অনুন্নয়ন বা বঞ্চনার প্রশ্ন থাকেই। বিভেদকামীরা এই অবস্থাতে শোষণের মূল কারণ ও ব্যবস্থাকে আড়াল করে নানা বিভ্রান্তিকর আন্দোলন করে বা বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী মুনাফা লাভের জন্যে চটকদার শ্লোগান তোলে। যে সাম্রাজ্যবাদ ভারতকে পুনরায় অর্থনৈতিক ঔপনিবেশের আওতায় আনতে চাইছে, এরা তাদেরই বিশ্বস্ত এজেন্ট হিসাবে অনেক সময় কাজ করে।

স্বাধীন ভারতের বাস্তব অবস্থা বিচার করে জাতি-উপজাতি-জনজাতি বিষয়ক সমস্যাগুলির বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানের জন্য ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর কর্মসূচীতে নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে – ১) জনগণই-সার্বভৌম। রাষ্ট্রক্ষমতার সমস্ত অঙ্গগুলি বা সংস্থাগুলি জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।
২) ভারতীয় ইউনিয়নের সকল রাজ্যগুলির প্রকৃত স্বায়ত্বশাসন ও সমান ক্ষমতা থাকবে। উপজাতি এলাকা বা সেই সব এলাকা যেখানে জনগোষ্ঠীগত নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট রয়েছে এবং যা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল দ্বারা পৃথক রূপে চিহ্নিত তাদের সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মধ্যেই আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন-এর অধিকার দেওয়া হবে এবং তাদের বিকাশের জন্য পূর্ণ সাহায্য পাবে।
নভেম্বর বিপ্লবের পরবর্তীতে সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়া জাতি সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে যে বৈজ্ঞানিক নীতি গ্রহণ করেছিল, সেই শিক্ষা অমলিন থাকবে। আবার স্বাধীন ভারতে ভিন্ন পরিস্থিতিতে সিপিআই(এম) ভারতীয় সমাজের বাস্তবতা অনুসারেই জাতি-উপজাতিগত প্রশ্নে যে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি কর্মসূচীতে গ্রহণ করেছে, তা ভারতে জাতি-জনজাতিগুলির ঐক্য-সংহতি ও উন্নয়নের প্রকৃত পথ।

@freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating