Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

এসএসসির দ্বিতীয় তালিকাতেও নাম তৃণমূলের ঘনিষ্ঠদের

চিহ্নিত অযোগ্যদের নামের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করলো এসএসসি। দ্বিতীয় তালিকায় রয়েছে আরও দুজনের নাম। আগের তালিকায় চিহ্নিত অযোগ্যদের নামের সাথে একাধিক তৃণমূলের নেতার সরাসরি যোগ পাওয়া গেছে। নাম রয়েছে অনেক তৃণমূলের নেতা আবার কোথাও তাঁদের আত্মীয় বা পরিবারের সদস্য। যার ফলে নিয়োগ দুর্নীতিতে সরাসরি তৃণমুলের যোগ স্পষ্ট হয়েছে।  

শনিবার রাত ৮টায় চিহ্নিত অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে পর্ষদ। কিন্তু সেই তালিকা প্রকাশের সময় তারা জানিয়েছিলেন যে এই তালিকা সম্পূর্ণ নয়। প্রথম তালিকায় ১৮০৪ নাম ছিল। দ্বিতীয় তালিকায় ২ জন বেড়ে মোট সংখ্যা হলো ১৮০৬। যে দুজনের নাম রয়েছে তার মধ্যে একজন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুর রহমানের মেয়ে রোকসানা বেগম। তিনি একটি স্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা ছিলেন। প্রথম লিস্টে কেন এই দুই নাম ছিল না তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পর্ষদে দাবি পদ্ধতি গত সমস্যার জন্য এই ভুল হয়েছে।

অযোগ্যদের তালিকায় নাম রয়েছে পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষের। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষ বলেছেন, “আইন বিচার করবে। এই মামলা হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারধীন। আমার কাছে কাগজ নেই যদি নাম এসে থাকে তাহলে দেখে বলবো।” শম্পা ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এই ব্যাপারে তিনি কোনও কথা বলতে চাননি।   
রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ১৮ ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নাম রয়েছে অযোগ্যদের তালিকায়। তালিকার ৬৪৭ নম্বরে নাম রয়েছে তাঁর। এছাড়াও বারাসতের তৃণমূলের নেতার ছেলের নাম রয়েছে এই তালিকায় ।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি: অসম্পূর্ণ ’চিহ্নিত অযোগ্য’ তালিকা প্রকাশ কমিশনের

সুপ্রিম কোর্টের ধমকের জেরে চিহ্নিত অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কিন্তু নাম দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৮০৪ জনের। বলা হয়েছে এটি ‘প্রথম তালিকা’।
কিন্তু কারা কোন কারণে অযোগ্য তার উল্লেখ করা হয়নি। সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি, প্যানেলের মেয়াদ শেষের পর নিয়োগ, কাদের ক্রমতালিকা বদলে চাকরি পেয়েছিলেন তার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কারা কোথায় কর্মরত ছিলেন তারও উল্লেখ নেই।
ফলে আশঙ্কা, নতুন করে এসএসসি’র পরীক্ষায় এই চিহ্নিত অযোগ্য বা দাগিরা যে ফের বসার সুযোগ পাবেনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
এসএসসি’র নিয়োগে দুর্নীতির জেরেই কলকাতা হাইকোর্টে বাতিল হয় প্যানেল। সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রাখে। সরকার এবং এসএসসি কোনও আদালতে কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য সেই তালিকা দেয়নি। সে কারণেই পুরো প্যানেল বাতিল করতে হয়েছে। কারণ পরীক্ষার রন্ধ্রে দুর্নীতি ধরা পড়েছিল। এমনকি কমিশন নথিও নষ্ট করে ফেলেছিল। সুপ্রিম কোর্ট জানায় সব নথি নষ্ট করায়।
কিন্তু নতুন পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত অযোগ্যদের বসার ব্যবস্থা হয়েছে। হাইকোর্টে তা নিয়ে সওয়ালও করেছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেই এই পদ্ধতি নেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহে এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ে। সুপ্রিম কোর্ট ‘চিহ্নিত অযোগ্য’ তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টে গিয়ে কেন চিহ্নিত অযোগ্যদের পরীক্ষায় ফের বসার পক্ষে সওয়াল করেছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার বলে যে মন্ত্রীদের সুপারিশে চাকরির জন্য রাস্তায় বসছে হয়েছে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীকে। রাজ্য সরকার এবং কমিশনের এই দুর্নীতির দায় পড়ছে আদালতের ওপরও।
কিন্তু এত কিছুর পরও পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করল না রাজ্য। ধাপে ধাপে প্রকাশের কৌশলে শেষ পর্যন্ত ঘুষের বিনিময়ে চাকরি নেওয়া অংশকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে বলে আশঙ্কা। অভিযোগ, রাজ্য এবং কমিশনের এমন অবস্থানের কারণ ঘুষে সরাসরি কলাভবান হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসই।

@freemang2001gmail-com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Featured Posts

Work Experience

Technologies

Creating