“””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
আমেরিকাতে একটি চার্চের সামনের একটি পুরোনো দোকান, ঘোষিতভাবে নাস্তিক এক ধনী ব্যবসায়ী কিনে নেন এবং সেখানে একটি বার এবং ডিস্কো তৈরী করার সিদ্ধান্ত নেন এবং সেই মতো রেনোভেশনের কাজ শেষ করে ফেলেন।
তাই দেখে, চার্চের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তো রেগে আগুন।
তারা সেই নাস্তিক ব্যবসায়ীকে অনেক বোঝালেন কিন্তু তিনি ওখানেই বার ও ডিস্কো বানাবেন।
শেষ পর্যন্ত চার্চের মেম্বারা প্রার্থনায় বসলেন এবং ভগবানের কাছে প্রার্থনা করলেন যে ওই ব্যবসায়ীর প্ল্যান যেন ভেস্তে যায়।
খবরটা ব্যবসায়ীর কানে গেছিলো।
এমনই কোইন্সিডেন্স, যে সেই রাতেই প্রবল ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে অনেক ডলার দিয়ে রেনোভেট করা দোকান ঘরটি সম্পূর্নই পুড়ে যায়।
ব্যবসায়ী তখন একটি অদ্ভুত কাজ করলেন – তিনি চার্চের বিরুদ্ধে একটি মামলা করলেন।
অভিযোগ – ওদের প্রার্থনাতেই ভগবান বজ্রপাত করে আমার দোকানটি পুড়িয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে চার্চের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কোর্ট-কে বললেন –
তারা ওখানে বার-ডিস্কো হোক সেটি চাননি ঠিকই কিন্তু তারা বিশ্বাস করেন না যে তাদের প্রার্থনার ফলেই ওই দোকানে বজ্রপাত হয়েছে।
এটা নেহাতই কোইন্সিডেন্স।
জাজ দু-পক্ষের বক্তব্য শুনে যা বলেছিলেন সেটি ঐতিহাসিক !
তিনি বলেছিলেন –
জীবনে এমন মামলা তিনি কখনো পাননি যেখানে এক নাস্তিক ব্যবসায়ী বিশ্বাস করেন যে ভগবান তার দোকান পুড়িয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে ধর্মপ্রাণ চার্চের মেম্বাররা বিশ্বাসই করেন না যে ভগবান তাদের প্রার্থনা শুনে এমন কাজ করতে পারেন!
কাজেই, ধর্ম এবং ভগবান দুটোই এমন জিনিস
যে তাদের নিজের প্রয়োজন ও সুবিধা মতো যেমন খুশি ব্যবহার করা যায় !
আর, সেটাই সমস্যা!
@COLLECTED



