Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

সম্পাদকের কলমে

সম্পাদকের কলমে

Form and Content in literary criticism

Every phenomenon or things has a certain content and is manifested in a certain form. Content is the totality of the components

হিটলার, হিমলার, গোয়েবেলস = মোদী, শাহ, কোবিন্দ এক।  বোঝার চেষ্টা করুন।

হিটলার ক্ষমতায় এসেই যা করেছিল।

১) ১৯৩৩ সালে আইন করে সরকারী চাকরী থেকে ইহুদীদের ব্যান করা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ইহুদী ছাত্রসংখ্যা কমিয়ে ফেলা হয়।
২) ১৯৩৪ সালে ইহুদী ছাত্রদের চিকিৎসাবিদ্যা, ফার্মেসি ও আইন বিভাগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ইহুদীদের সেনাবাহিনী থেকেও বহিষ্কার করা হয়।
৩) ১৯৩৫ সালে বিতর্কিত ন্যুরেমবার্গ আইন প্রণয়ন করে ইহুদীদের নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, জার্মান বা জার্মাব বংশোদ্ভূতদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।
৪) ১৯৩৫-৩৬ সালে পার্ক, রেস্টুরেন্ট, সুইমিংপুলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। ইহুদী ছাত্রদের বিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। সরকারী বিদ্যালয় থেকে ইহুদী শিক্ষকদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
৫) ১৯৩৮ সালে ইহুদীদের বিশেষ পরিচয় পত্র নিয়ে বেরোন বাধ্যতামূলক করা হয়। সিনেমা থিয়েটার সমুদ্রতীর ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। বৈদ্যুতিন সামগ্রী, টাইপরাইটার, সাইকেলের ব্যবহারের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। ইহুদীদের নামের আগে সারাহ/ইসরায়েল শব্দটি ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত করা হয়। ইহুদীদের পাসপোর্টে লাল রংয়ের “J” লেখা বাধ্যতামূলক হয়।
৬) ১৯৩৯ সালে অসংখ্য ইহুদীদের নিজ বাড়ী থেকে উচ্ছেদ করা হয়। সোনা রূপা হিরে সহ সমস্ত দামী জিনিসপত্র রাষ্ট্রের কাছে অর্পণ করতে বাধ্য করা হয়।
৭) ১৯৪০ সালে ইহুদীদের ফোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ হয় ও যুদ্ধকালীন সময়ে দেওয়া রেশনকার্ড বাতিল করা হয়।
৮) ১৯৪১ সালে ইহুদীদের পাবলিক টেলিফোন, বাড়ীতে কুকুর রাখা নিষিদ্ধ করা হয়। দেশ ছেড়ে বেরোনও বন্ধ করা হয়।
৯) ১৯৪২ সালে ফারকোট ও উলেনের শীতবস্ত্র পরিধান নিষিদ্ধ করা হয়। এমনকি দুধ ও ডিম খাওয়াও নিষিদ্ধ করা হয়।
এরপর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের গ্যাসচেম্বারে ইহুদী নিধনের ঘটনা সকলেই জানেন।

মোদী/শাহ জুটি কি করতে চাইছেন NRC’র মাধ্যমে। দেখে নেওয়া যাক।

১) প্রথমে NPR করে কারা ‘ডি’ ভোটার তাদের একটা তালিকা তৈরী করা।
২) যারা ‘ডি’ ভোটারের তালিকায় পড়বেন তাদের নাম NRC’র তালিকার বাইরে রেখে হয়রানির মধ্যে ফেলা।
৩) বেশীরভাগ গরীব মানুষই NRC’র বাইরে থাকবেন। কারণ, বহু মানুষেরই ঘরবাড়ি নেই বা বিভিন্ন প্রাকিতিক দুর্যোগে দরকারি কাগজপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। এবার তাদের ফরেন ট্রাইবুনালে পাঠিয়ে যা কিছু আছে তা খরচ করিয়ে ভিখারিতে পরিণত করা।
৪) NRC’র বাইরে যারা থাকবেন তাদের এবার ডিটেনশন (কনসেন্ট্রেশন) ক্যাম্পে ঢুকিয়ে দেওয়া। তার আগে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক একাউন্ট থাকে তবে তা বাজেয়াপ্ত করা। চাকরী থাকলে সেখান থেকে বরখাস্ত করা।
৫) আসামের ডিটেনশন ক্যাম্পগুলিতে যা হয়েছে তা ইতিমধ্যেই ভারতবাসী জেনেছেন। হিটলারের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের থেকে কম কিছু নয়।
৬) এখন বলা হচ্ছে শ্রীলংকা বাদে প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে যারা এসেছেন তাদের মধ্যে “মুসলিম” সম্প্রদায় বাদে সবাইকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এখন তাদের কিরকম নাগরিকত্ব দেওয়া হবে তা একমাত্র মোদী/শাহই জানেন।

সে যাই হোক দাঁড়াল কি ? ইহুদী = মুসলিম।
হিটলার ও মোদীর মধ্যে কতটা ফারাক খুঁজে পাচ্ছেন ?? একদমই নেই।

অথচ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে
“হিন্দু – মুসলিম – শিখ” ছাড়া আর কার অবদান আছে ?? অথচ সেই মুসলিমদের বাদ দেওয়ার কথা উঠছে কেন ??

নিপীড়িত বঞ্চিত অবহেলিত মানুষের মধ্যে বিভেদের এই বীজ বপনকারীদের রুখে দিন।

@COLLECTED

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About

ranjan.254@gmail.com Avatar

Work Experience

Technologies

Creating